দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: এবার এফআইআর করবে আর্টিস্টস ফোরাম অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে। শনিবার দুপুর দুটো নাগাদ, তা করা হবে বলে সূত্র মারফত খবর। প্রযোজনা সংস্থার তরফ থেকে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তাতে অখুশি ফোরাম। বাংলা সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় টেকনিশিয়ান্স স্টুডিওতে প্রেস কনফারেন্স ডাকেন শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ মাত্র ১৫ মিনিটে।
প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমরা ১ এপ্রিল চিঠি পেয়েছিলাম। আশা করেছিলাম আমরা যে মোটামুটি একটা উত্তর পাব, যা সন্তোষজনক হবে খানিকটা। কোনও সন্তোষজনক উত্তর পাইনি আমরা। আমরা কাল এফআইআর করব।” তাঁর বক্তব্য, যিনি চলে গিয়েছেন, তাঁকে আর সম্ভব নয় ফেরানো। তবে এই মৃত্যুতে অজস্র প্রশ্ন রয়েছে। তবে এত দেরি কেন এই অভিযোগ আনতে? সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “কিছু কিছু জিনিস থাকে, যেখানে জড়িয়ে যায় আইন। আঘাত তো আমরাও পেয়েছি। ২-৩ দিন সময় লেগেছে সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে। সময় লেগেছে এটা বুঝতেই যে আমাদের মধ্যে রাহুল নেই। আপ্রাণ চেষ্টা করা হবে আমাদের তরফ থেকে, আসল কারণটা জানতে।”
প্রসঙ্গত, আর্টিস্টস ফোরামের তরফ থেকে ১ এপ্রিলই একটি চিঠি দেওয়া হয় প্রযোজনা সংস্থাকে। কিন্তু অভিনেতা শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় জানান যে সন্তুষ্ট নন তাঁরা উত্তরে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “আইনি পরামর্শ এরপরই নেওয়া হয়। সম্পূর্ণ তদন্তের দাবিতে সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ জানানো হবে আর্টিস্ট ফোরামের তরফ থেকে।”
ঘটনার ৩ দিন পর যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছিল প্রযোজনা সংস্থার তরফ থেকে, তাতে বেশিরভাগ অভিনেতারই মনে হয়েছিল যে বেশকিছু বিষয় অসঙ্গতি রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন কথার সঙ্গে জানানো হয় যে আর মহিলা কমিশনের চেয়ারপারসন থাকতে চান না লীনা গঙ্গোপাধ্যায়। তাদের বক্তব্য, নিরপেক্ষ তদন্তের জন্যই এমন ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন তিনি। মৃত্যুর পর রাহুলের পরিবারের সঙ্গে লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের একবারও দেখা না করতে যাওয়ায় হয়েছে সমালোচনা। তাতে বহু অভিনেতার মনে হয়েছে যে দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে প্রযোজনা সংস্থা। এর মাঝেই সমাজমাধ্যমে ‘জাস্টিস ফর রাহুল’ নামে এক পোষ্টার দেখা যায়, যেখানে পথে নামার ডাক দেওয়া হয় ন্যায়বিচারের দাবিতে।



By










