দেবজিৎ মুখার্জি, পশ্চিম মেদিনীপুর: “তোমরা বাংলাকে টার্গেট করেছ, আমরা দিল্লিকে আগামিদিনে টার্গেট করছি” মঙ্গলবার চন্দ্রকোণায় জনসভা থেকে বিজেপি ও কমিশনকে একহাত নিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কী বক্তব্য তাঁর? তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো জানান যে বহু চক্রান্ত চলছে, সরকারের ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে ভোটে জিতবে না জেনে। শুধু তাই নয়, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ‘স্বৈরাচারী নেতা’র তকমা পর্যন্ত দেন।
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রচার চালাচ্ছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন জেলায় জনসভা করছেন প্রার্থীদের সমর্থনে এবং একের পর এক ইস্যু তুলে আক্রমণ করে যাচ্ছেন গেরুয়া শিবিরকে। শুধু তাই নয়, ভোটে জয় নিয়েও আশাবাদী দুজনে।
এই আবহে মঙ্গলবার চন্দ্রকোনায় সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সভামঞ্চ থেকে তিনি নানা বিষয়ে বিজেপিকে একহাত নেন। শুধু বিজেপি নয়, নির্বাচন কমিশনকেও একহাত নেন তিনি। ফর্ম ৬ প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন যে অন্য রাজ্য থেকে লোক নিয়ে এসে নাম তোলা হচ্ছে। পাশাপাশি এও জানান যে এরপর এনআরসি হবে।
ফর্ম ৬ বিষয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ওরা ফর্ম জমা দিয়েছে বস্তায় বস্তায়। নাম তুলছে বাংলার বাইরের লোকদের নিয়ে এসে। আপনাদের ভোট রক্ষা করতে হবে। আর কত দেবেন লাইন। এবার প্রতিবাদ করতে হবে আপনাদের।” এরপরই এনআরসির প্রসঙ্গ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এনআরসি হবে এরপরে। এখনো বাদ দিচ্ছে নাম। ভোট দিতে পারবেন কিনা আপনি জানেন না লিস্টে নাম থাকলেও।”
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বহু চক্রান্ত চলছে। সরকারের ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে ভোটে জিতবে না বলে। আমি এমন স্বৈরাচারী নেতা আগে দেখিনি মোদি-শাহের মতো। তোমরা বাংলাকে টার্গেট করেছ, আমরা দিল্লিকে আগামিদিনে টার্গেট করছি। ক্ষমা করবে না ওদের মানুষ।”



By










