দেবজিৎ মুখার্জি: সোমবার লোকসভায় রেল মন্ত্রকের বরাদ্দকে কেন্দ্র করে যে আলোচনা হয়, তাতে কেন্দ্রের রেল নীতির তীব্র সমালোচনা করেন মেদিনীপুরের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ জুন মালিয়া। কী বক্তব্য তাঁর? তিনি দাবি করেন যে বাস্তবে বৈষম্য স্পষ্ট রেল পরিষেবা ও উন্নয়নে। শুধু তাই নয়, ঘাসফুল শিবিরের আরো কটাক্ষ, সরকারের কর্তব্য উন্নয়ন নিয়ে বড় ঘোষণা না করে, বাস্তব কাজের মাধ্যমে মানুষের বিশ্বাস জেতা।
এদিন জুনের অভিযোগ, একাধিক রাজ্যের রেলের বরাদ্দ অনেকগুণ বাড়লেও বাংলায় তা হয়েছে মাত্র তিনগুণ। প্রকল্প দ্রুত গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ বা দিল্লিতে এগোলেও বাংলাকে ফেলে রাখা হয়েছে কার্যত ‘স্লো প্যাসেঞ্জার লাইনে’। তিনি বলেন, “একসময় দেশের রেল ব্যবস্থার ভিত গড়ে দিয়েছে বাংলা আর তাদেরই এখন অবহেলার শিকার হতে হচ্ছে। অমৃত ভারত প্রকল্পে উন্নয়নের অনুমোদন হয়েছে বাংলার ১০১টি স্টেশনের। কিন্তু কাজ শেষ হয়েছে মাত্র তিনটিতে। অত্যন্ত কম কবচ নিরাপত্তা ব্যবস্থার কভারেজও। বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও অনেক ক্ষেত্রে টাকা খরচ হয়নি এবং সেই কারণে আটকে গেছে যাত্রী পরিষেবার উন্নতি।”
তিনি আরো বলেন, “রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লাগাতার কাজ করছেন সড়ক, স্বাস্থ্য ও সামাজিক পরিকাঠামোতে। কিন্তু সেই গতির বিন্দুমাত্র দেখা যাচ্ছে না কেন্দ্রের রেলের প্রকল্প বাস্তবায়িত করার ক্ষেত্রে।” পাশাপাশি, মমতা জামানার সঙ্গে বর্তমান জামানার তুলনাও করেন জুন মালিয়া। এছাড়াও তিনি বিশেষ নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন জঙ্গলমহল এলাকার হাতির করিডর দিয়ে যাওয়া রেলপথে দুর্ঘটনা ঠেকাতে এবং বয়স্ক ও সাংবাদিকদের টিকিটে ফের ছাড় চালু করার।



By










