দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: গত বিধানসভা নির্বাচনে খারাপ ফলাফলের পর আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে একলা চলো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে হাত শিবির, ওরফে কংগ্রেসের তরফ থেকে। সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় উঠে এসেছে অধীর রঞ্জন চৌধুরী, মৌসম বেনজির নূর, শুভঙ্কর সরকার থেকে শুরু করে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাদের নাম। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে দিল্লিতে স্ক্রিনিং কমিটির বৈঠকের পর শীঘ্রই প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে প্রথম দফায় প্রায় ১০০টি আসনের। যাঁদের জেতার সম্ভাবনা রয়েছে, তাঁদের উপরই জোর দেওয়া হচ্ছে হাত শিবিরের তরফ থেকে।
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে বহরমপুর থেকে এবার প্রার্থী হয়ে দাঁড়াতে পারেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। ইতিমধ্যেই তাঁকে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে এই ব্যাপারে আলোচনা করার জন্য। অন্যদিকে, বর্তমানে সেই পদে যিনি রয়েছেন, অর্থাৎ শুভঙ্কর সরকার, তাঁকে দাঁড় করানো হতে পারে পারে মালদহের কোনও এক আসন থেকে। সেটাই ভাবছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। যদিও রাজ্যের কয়েকজন নেতৃত্ব আবার চাইছেন যে তাঁকে শ্রীরামপুর থেকে প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করানো হোক। সেই প্রস্তাব ফের দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, মালদহের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোরাফেরা করছে প্রাক্তন সাংসদ মৌসুম বেনজির নূর এবং তাঁর দিদির। উত্তরবঙ্গের আরো বেশ কিছু আসনে নতুন ও অভিজ্ঞদের মিশ্রণে তালিকা তৈরি করতে চাইছে হাত শিবির। ইতিমধ্যেই গোয়ালপোখর এবং চাকুলিয়া, দুই আসনেই জোরদার প্রচার চালাচ্ছেন প্রাক্তন বিধায়ক আলি ইমরান রা, ওরফে ভিক্টর। যদিও তাঁকে চাকুলিয়া থেকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে, পুরনো পুরুলিয়া আসন থেকে আবারও প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াতে পারেন প্রাক্তন বিধায়ক নেপাল মাহাতো।
এবার কংগ্রেসের ভাবনায় শুধু হেভিওয়েট প্রার্থীরাই নয়, রয়েছে যুব ও ছাত্র সংগঠনের নতুন মুখও। জানা যাচ্ছে হাওড়ার এক আসন থেকে পরিকল্পনায় রয়েছে ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভানেত্রী প্রিয়াঙ্কা চৌধুরীর নাম। অর্থাৎ হাত শিবির এবার অভিজ্ঞ ও নতুনদের একটা ভারসাম্য রাখতে চাইছে এবং সেই অনুযায়ী প্রার্থী তালিকা করতে চাইছে পশ্চিমবঙ্গে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে। এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত কি হয়।



By










