দেবজিৎ মুখার্জি: গ্যাস নিয়ে সংকট যে তৈরি হয়েছে, অবশেষে তা স্বীকার করে নিল কেন্দ্র। যদিও এর সঙ্গে তারা এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছে যে গ্যাস ফুরিয়ে যায়নি দেশের কোনও সাপ্লাই সেন্টারে।
ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বড় ক্রেতা এলপিজির। তার ৯০% আসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে, যা বর্তমানে বন্ধ রাখা হয়েছে ইরানের তরফ থেকে। তবে জানা যাচ্ছে যে বর্তমানে ভারতের পতাকা দেওয়া জাহাজকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রের এক উচ্চপদস্থ কর্তা বলেন, “একসাথে বুকিং করছেন বহু মানুষ আতঙ্কিত হয়ে, যার ফলে সমস্যা আরও বাড়ছে। বুকিং করুন প্রয়োজন অনুযায়ী। যুদ্ধের আবহে বুকিং এসেছে একসাথে ৮৮ লক্ষ্য।” তাঁর সংযোজন, “বর্তমান পরিস্থিতির ফায়দা নিয়ে সিলিন্ডারের কালোবাজারি করছেন একাধিক অসাধু ব্যবসায়ী। এগুলি ঠেকাতে অভিযান চালানো হচ্ছে লাগাতার।”
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি, কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী দাবি করেছিলেন গ্যাস বা তেলের কোন সংকট নেই দেশে। তিনি দাবি করেছিলেন যে সাপ্লাই স্বাভাবিক রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, যথেষ্ট পরিমাণের অপরিশোধিত তেল রয়েছে ভারতের কাছে এবং তেল ও গ্যাসের সাপ্লাইও স্বাভাবিক। শুধু তাই নয়, তিনি এও দাবি করেছিলেন যে মধ্যপ্রাচ্যে চলতি সংঘাতের জেরে গোটা বিশ্বের জ্বালানি নিয়ে সমস্যা তৈরি হলেও ভারতে তার প্রভাব পড়েনি। বলে রাখা প্রয়োজন, সংকটের সময়ে সাধারণ মানুষ যাতে অতিরিক্ত গ্যাস বুকিং এবং মজুত না করে রাখেন, তার জন্য ২১ দিনের জায়গায় ২৫ দিন করে দেওয়া হয়েছে বুকিংয়ের ব্যবধান। গ্যাসের খরচ বাঁচাতে বেড়ে চলেছে ইনডাকশন সহ ইলেকট্রিক্যাল রান্নার যন্ত্রের।



By













