দেবজিৎ মুখার্জি: বর্তমানে আন্তর্জাতিক রাজনীতির অন্যতম বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে ইরান ও ইসরাইল-আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধ। বিষয়টি নিয়ে এই মুহূর্তে জোর তোলপাড় চলছে গোটা বিশ্বে। তবে একইসাথে প্রশ্ন উঠছে যে কেন ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইসরাইল সফরের পর ইরানে হামলা। বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করতে বাদ দেয়নি বিরোধীরাও। কেন্দ্রকে পড়তে হয়েছে বিরোধীদের সমালোচনার মুখে।
এবার এই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রুভেন আজার। কী বক্তব্য তাঁর? এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই বিষয়টি নিয়ে সবটা জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেন যে আগে থেকে জানা ছিল না যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইসরাইল সফরের পর হামলা চালানো হবে তেহরানে। শুধু তাই নয়, এর সঙ্গে তিনি এটাও জানান যে কবে হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বা মন্ত্রিসভার তরফ থেকে এর অনুমোদন মেলে।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে রুভেন আজার বলেন, “এটা আগে থেকে জানা ছিল না যে মোদির সফরের পর তেহরানে হামলা চালানো হবে। হঠাৎ করেই আমাদের কাছে বড় সুযোগ আসে তিনি ইসরাইল ছাড়তেই। আঞ্চলিক উন্নয়ন নিয়ে কথা হয়েছিল ওনার সফরের সময়। কিন্তু আমাদের কারোর জানা ছিল না ইরানের অভিযান নিয়ে।” তাঁর সংযোজন, “ইরানে হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় মোদি সফরের প্রায় দুই দিন পর। মন্ত্রিসভার তরফ থেকে অনুমোদন মেলে ২৮শে ফেব্রুয়ারি।”
যদিও বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে কোনও হামলাই আচমকা হয় না, বরং পূর্ণ পরিকল্পনার সঙ্গে হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইসরাইলের পার্লামেন্ট কেনেসেটে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, “সর্বদাই ভারত গভীরভাবে ইসরাইলের পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আগামীদিনেও সমর্থন করা হবে তেল আভিবকে।” বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে মোদির সমর্থনে ইচ্ছাকৃত হামলা চালানো হয়েছে ইরানে ইসরাইলের তরফ থেকে। আরেকাংশের বক্তব্য, ভারত আগে থেকেই এই ব্যাপারে জানত। কারণ আক্রমণের কয়েকদিন আগে ইরানে ভারতীয় দূতাবাসের তরফ থেকে একটি বিবৃতি জারি করে নির্দেশ দেওয়া হয় ভারতীয়দের দেশ ছাড়ার। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, খামেনেইর মৃত্যুর প্রসঙ্গে এখনো পর্যন্ত অবস্থান জানায়নি মোদি সরকার।



By












