• Home
  • বিদেশ
  • পাক জেলে ইমরান খানকে অন্ধ করার চক্রান্ত

পাক জেলে ইমরান খানকে অন্ধ করার চক্রান্ত

Image

হাফিজুর রহমান, কলকাতা: গনতন্ত্রের বধ্য ভূমি আমাদেরকে প্রতিবেশী দেশ  পাকিস্তান। এক সাংবাদিক একটি বই লেখেন নাম বিপাকিস্তান, আজ তিনি আমাদের মাঝে নেই থাকলে  যে বই লিখতেন তার নাম দিতেন না পকিস্তান। পাকিস্তান আর ভারত প্রতিবেশী হলেও ভারতে আছে গনতন্ত্র, পাকিস্তানে আছে মোল্লা অর মিলিটারি। এরাই দেশ চলায, গণতন্ত্র লোক দেখানো ব্যাপার। এরই পরিবর্তন চেয়েছিলেন ইমরান। চেয়েছিলেন মোল্লা আর মিলিটারীর রাজ খতম করতে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাদাগিরির প্রতিবাদ করেন দিনের পর দিন, এরই ফল ট্রাম্পের বিপক্ষে কথা বলার মাশুল কাঙ্গারু কোর্টের আদেশে জেল। কোর্ট রায় না বলে প্রহসন বলায় ঠিক। ট্রাম্পের পদলেহন কারি পাক প্রশাসন বিশেষ করে পাক জেনারেল অসীম মুনীর , ইমরানের বিরুদ্ধে তারই অঙ্গুলি হেলনে ব্যবস্হা নেওয়া হয়। 

জেল বন্দী কবেও রেহাই মেলেনি বিশ্বকাপ জয়ী ক্যাপ্টেন ইমরানের, তাঁকে নির্জনসেলে বেআইনি ভাবে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় যেখানে ফাঁসির আসামি দের রাখা হয়। প্রায় তিন বছর নির্জন সেল এ রেখে তাঁকে মানসিক ভাবে গুড়িয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা হচ্ছিল। 

কিন্তু ইমরান খান অন্যধাতুতে তৈরি তাকে  হার মানানো যায়নি। লোভ দেখানো হচ্ছিল  দেশ ছেড়ে স্বেচ্ছা নির্বাসনে যেতে পারেন পছন্দমত জায়গায় কিন্তু প্রত্যাখ্যান করেন ইমরান। চিকিৎসার অভাবে তাঁর ডান চোখ এর প্রায় 90%  ক্ষতি গ্রস্ত  হয়ে গেছে।  

খবরটি চাপার অপচেষ্টা হচ্ছিল কিন্তু শেষ অবধি দিনের আলোয় এসেছে  ইমরানের বোনদের দেখা করতে না দেওয়ার জন্য। খবর পেয়ে আমজনতা পথে নেম প্রতিবাদে নামে।  খবর পেয়েই লন্ডন থেকে উড়ে আসেন ইমরানের ছেলে, বাড়তে থাকে আন্তর্জাতিক চাপ, গ্রেগ চ্যাপেলর নেতৃত্বে, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ,নিউজিল্যান্ডের ১৪জন অধিনায়ক পাক প্রশাসনের কাছে  কড়া চিঠি দেন। ফলে ব্যাকফুটে যেতে বাধ্য হয় মিলিটারি মোল্লার মিলি জুলি দুষ্ট চক্র গর্জে ওঠেন সুনীল গাভাস্কার কপিল দেবের মত সতীর্থরা। এর ফলে বাধ্য হয়েই ইমরান সম্পর্কে নতুন করে শুরু  করতে চায়পাক প্রশাসন। প্রাণ না  চাইলেও চিকিত্সার জন্য বাধ্য হয়ে ব্যবস্হা করতে হচ্ছে। ইমরানের ডান চোখের দৃষ্টি প্রায় নেই।  আমাদের অধিনায়ক পতৌদি পুরো ক্রিকেট ক্যারিয়ার ডান চোখ ছাড়াই বাম চোখে খেলেছেন।

ইমরান কি পারবেন পতৌদির মত …। প্রলোভন ছিল প্রশাসনের কথা মানলে পছন্দ মতো দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় নিতে পারেন। কিন্তু খান সাব অন্য জিনিষ, অন্য ধাতুতে তৈরি, তাকে হার মানানো যায়নি। প্রবল ু আন্তরজাতিক চাপে ঢোক গিলতে বাধ্য হচ্ছে পাক প্রশাসন। বিলম্বিত বোধোদয়,খুব বাড়া বাড়ি হয়ে গেছে এবার ইমরানকে হয়ত বাড়িতেই নজর বন্দী করে রাখা হবেl ইমরানের জনপ্রিয়তার জোয়ারে ভেসেদুষ্ট চক্র গেছে পাকিস্তানী প্রশাসন। বল এখন ইমরানের কোর্টে,এখন এডভান্টেজ ইমরান। দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কি হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top