দেবজিৎ মুখার্জি: মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের মৃত্যুকে ঘিরে এমনিতেই সেই রাজ্যে শোকের ছায়া নেমেছে। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই পাওয়ার পরিবারকে ঘিরে ধরল চিন্তার কালো মেঘ। আবারো হাসপাতালে ভর্তি করাতে হলো এনসিপির বর্ষিয়ান নেতা, তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, শরদ পাওয়ারকে। বিষয়টি জানাজানি হতেই বেশ চিন্তায় পড়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্য থেকে শুরু করে অনুগামীরা।
বয়স হওয়ার কারণে বহুদিন ধরেই অসুস্থতায় ভুগছেন শরদ পাওয়ার। তিনি বাড়িতে ছিলেন ডাক্তারদের নজরদারিতে। দিন কয়েক আগে বর্ষিয়ান নেতাকে ভর্তি করানো হয়েছিল হাসপাতালে। কী কারণে? সর্দিকাশির কারণে শুরু হয় শ্বাসকষ্ট। তা বাড়তে থাকায় চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। এক সপ্তাহ আগে তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন।
কিন্তু ফের শরদ পাওয়ারের শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়। দেরি না করে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে যে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শরীরে জল কমে গিয়েছে। হাসপাতাল সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে তাঁকে দেওয়া হচ্ছে স্যালাইন। চিকিৎসকদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে এখন তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তবুও ডাক্তাররা তীক্ষ্ণ নজর রাখছেন পরিস্থিতির উপর।
বলে রাখা ভালো, বহু বছর আগে শরদ পাওয়ারের মুখে ধরা পড়েছিল ক্যান্সারের ইনফেকশন। বেশ কয়েকটি অস্ত্রোপচার হয়েছিল ভারত ও আমেরিকাতে এবং তারপর তিনি সুস্থ হন। বর্তমানে বর্ষিয়ান নেতার এমন অবস্থা ঘিরে চিন্তার কালো মেঘ ঘিরে ধরেছে পাওয়ার পরিবার সহ এনসিপি সমর্থকদের। সকলেই যে তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন, তা বলাই বাহুল্য। এবার দেখার বিষয় যে কত তাড়াতাড়ি তিনি হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসেন।
উল্লেখ্য, তিনবার মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন শরদ পাওয়ার। তিনি ন্যাশনালিস্ট কমিউনিস্ট পার্টি এনসিপি তৈরি করেছিলেন ১৯৯৯ সালে। এছাড়া তিনি একাধিক বিভাগের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও ছিলেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা তাঁকে ‘কোয়ালিশান পলিটিক্স’এর ক্ষেত্রে কি স্ট্র্যাটেজিস্ট বলে মনে করেন।



By













