দেবজিৎ মুখার্জি: ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর এবার ফ্রান্সের সঙ্গে চুক্তি ভারতের। মঙ্গলবার বাণিজ্য নগরী মুম্বাইতে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের – ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর – মধ্যে আলোচনা হয় এবং এরপরই আনুষ্ঠানিকভাবে সবটা ঘোষণা করা হয়। প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, বাণিজ্য থেকে শুরু করে মোট ২০টি বিষয়ে চুক্তি হয় দুই দেশের মধ্যে।
৩ দিনের ভারত সফরে এসেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। সঙ্গে এসেছেন তাঁর স্ত্রীও। সোমবার গভীর রাতে তাঁর বিমান ল্যান্ড করেছে মুম্বাইতে। মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, বৈঠক হওয়ার কথা ছিল তাঁর ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যে। সেই অনুযায়ী দুজনে বৈঠকে বসেন এবং একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়। দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানই স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপে সহমত হয়েছেন।
মুম্বইয়ে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করেন নরেন্দ্র মোদি ও ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। দুজনেই এই বিষয়ে বক্তব্য তুলে ধরেন এবং সহযোগিতার কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্য, “অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে আজ গোটা বিশ্ব যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে একটি জরুরি পদক্ষেপ গোটা বিশ্বে স্থিতিশীলতার জন্য ভারত-ফ্রান্স অংশীদারিত্ব। আমাদের বহুদিনের মিত্র দেশ ফ্রান্স। দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে যে গভীরতা, সেটাই শক্তি।”
অন্যদিকে, ফ্রেঞ্চ প্রেসিডেন্ট দাবি করেন যে প্রতিরক্ষার বিষয়ে বাইল্যাটেরাল পার্টনারশিপ শক্তিবৃদ্ধি করবে দুই দেশের। ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, “রাফালে জেট থেকে শুরু করে সাবমেরিন, আমরা প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এক্সপানশন করছি।” এখানেই শেষ নয়, ভারতের প্রশংসা করে তিনি আরো বলেন, “আমাদের সবচেয়ে বিশ্বস্ত পার্টনারদের মধ্যে পড়ে ভারত।” এছাড়া চুক্তিগুলি নিয়ে জানানো হয়েছে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের তরফ থেকে। তবে বিস্তারিতভাবে কিছু জানা যায়নি।
এবার দেখার বিষয় যে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আগামীদিনে কেমন হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথা অনুযায়ী, যখন গোটা বিশ্ব অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন দুই দেশ কি করে দেখায়? কী হবে ভবিষ্যতে? এই সংক্রান্ত একাধিক প্রশ্ন এই মুহূর্তে ঘোরাফেরা করছে জাতীয় রাজনীতিতে।



By












