দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: চলতি বছরেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কী বক্তব্য তাঁর? মঙ্গলবার যুবসাথী প্রকল্প প্রসঙ্গে তৃণমূল সুপ্রিমো বড় ঘোষণা করেন। তিনি জানান যে সরকার তৈরীর পর নয়, এপ্রিল মাস থেকে এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি, এটাও জানিয়ে দেন যে কিভাবে গ্রহণ করা হবে আবেদনপত্র।
সম্প্রতি, বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনে অন্তর্বর্তী বাজেট ঘোষণা করা হয় রাজ্যের তরফ থেকে। একাধিক বড় ঘোষণা করেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, যার মধ্যে একটি যুবসাথী প্রকল্প। যদিও এই প্রকল্পও রাজনৈতিক তরজার পাত্র হয়ে ওঠে। বিরোধীদের কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় তৃণমূল কংগ্রেসকে। যদিও ঘাসফুল শিবিরের তরফ থেকে বিরোধীদের পাল্টা জবাব দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে এই বিষয়ে বড় ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান যে ১লা এপ্রিল থেকে টাকা পাবেন বেকার যুবক-যুবতীরা। এখানেই শেষ নয়, তিনি আরো জানান যে আবেদনপত্র গ্রহণের ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে সংবাদপত্রে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী প্রকল্প সংক্রান্ত কিছু বক্তব্য তুলে ধরেন এবং রাজ্যবাসীদের তা জানিয়ে দেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “নতুন অর্থবর্ষ শুরু হচ্ছে ১ এপ্রিল থেকে। তাই সেদিন থেকেই দেওয়া হবে যুবসাথী প্রকল্পের টাকা।” পাশাপাশি, সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়ে আবেদনপত্র গ্রহণের বিষয়টিও জানান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে ভোটের কথা মাথায় রেখে কোনরকম দেরি করতে চান না তৃণমূল সুপ্রিমো এবং সেই কারণেই দিন এগিয়ে আনা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, যুবসাথী প্রকল্পে ২১-৪০ বছর বয়সী যুবক-যুবতীরা, যাঁরা মাধ্যমিক বা সেই সমান পরীক্ষা পাশ করেছেন এবং বেকার, তাঁরা মাস গেলে ১৫০০ টাকা করে পাবেন। চলতি বছরের স্বাধীনতা দিবসের দিন থেকে তা চালু করার কথা ছিল। তবে মুখ্যমন্ত্রী মঙ্গলবার তা এগিয়ে আনার কথা ঘোষণা করেন। সর্বোচ্চ ৫ বছরের জন্য এই সুবিধা পাওয়া যাবে স্থায়ী চাকরি না হওয়া পর্যন্ত। মোট ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এই প্রকল্পের জন্য। তবে যিনি আবেদন করবেন, তিনি যদি অন্য কোনও সরকারি স্কলার্শিপ বা সোশ্যাল সিকিউরিটি স্কিমের সুবিধা পান, তাহলে এর সুবিধা পাবেন না।



By










