• Home
  • জেলার খবর
  • সেলিমের বিরুদ্ধে ঘর ভাঙ্গানোর অভিযোগ কংগ্রেসের

সেলিমের বিরুদ্ধে ঘর ভাঙ্গানোর অভিযোগ কংগ্রেসের

Image

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: ফের বামেদের তোপ হাত শিবিরের! সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহাম্মদ সেলিমের বিরুদ্ধে ঘর ভাঙ্গানোর অভিযোগ তোলা হলো তাদের তরফ থেকে। দলের মুখপাত্র অশোক ভট্টাচার্য সোশ্যাল মিডিয়া থেকে একটি পোস্ট করে এমন অভিযোগ তুলেছেন। এখানেই শেষ নয়, তিনি এটাও দাবি করেন যে বর্ষীয়ান বাম নেতার কমিউনিস্টত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁর দলের ছাত্র-যুবরা।

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ফের এক হয়ে ভোটের ময়দানে নামা নিয়ে বহুদিন ধরেই মতপার্থক্য চলছে বাম ও কংগ্রেসের মধ্যে। বামেদের তরফ থেকে আগ্রহ দেখানো হলেও, তা দেখানো হচ্ছে না কংগ্রেসের তরফ থেকে। প্রতিনিয়তই দুই দল একে অপরকে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণ করে যাচ্ছে। সুতরাং বঙ্গ রাজনৈতিক মহল একপ্রকার ধরেই নিয়েছে যে দুই দল এবার জোটে যাবে না। 

এমন পরিস্থিতিতে তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে জোট গড়ার লক্ষ্যে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহাম্মদ সেলিমের তরফ থেকে দলের নেতা ও কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ব্লক ও বুথ স্তরের কংগ্রেস কর্মীদের সঙ্গে আলোচনায় বসার। তবে সেটিকে একেবারেই ভালো চোখে নেয়নি হাত শিবির। তাদের অভিযোগ, বামেদের তরফ থেকে চেষ্টা করা হচ্ছে ঘর ভাঙ্গানোর।

প্রদেশ কংগ্রেসের মুখপাত্র অশোক ভট্টাচার্য এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের অবস্থানে একহাত নিয়েছেন সেলিমকে। তিনি লিখেছেন, “মহাম্মদ সেলিম জোট না করলে ঘর ভাঙ্গানোর হুমকি দিয়েছেন।” এরপরই বামেদের অন্দরের মতপার্থক্য নিয়েও তিনি বলেন। অশোক ভট্টাচার্য লিখেছেন, “কেবল বলবো যে আগুন নিজের ঘরে লাগিয়েছেন, সেটা পারলে নেভান। সমস্ত খবর আছে আমাদের কাছে। আপনাদের দলের ছাত্র-যুবরা প্রশ্ন তুলছেন আপনার কমিউনিস্টত্ব নিয়ে।” এর সঙ্গে তিনি এটাও পরিষ্কার করে দেন যে তাঁর প্রশ্নের উত্তর কংগ্রেসের সাধারণ কর্মীরাই দেবেন এবং এর জন্য শুভঙ্কর সরকারের প্রয়োজন পড়বে না। 

প্রসঙ্গত, এক সাক্ষাৎকারে সেলিম বলেছেন, “শুভঙ্করবাবুর কথা মাথায় রেখে আমি সমস্ত জেলার সমস্ত কমরেডদের বলব যেখানে কংগ্রেস আছে…. শুধু ব্লকে নয়, বুথ পর্যন্ত কথা বলুক তারা। তারা শক্তিশালী করবে তৃণমূল-বিজেপি বিরোধী শক্তিকে, নাকি যাবে তৃণমূলের সঙ্গে। এরপর কিন্তু আমি দল ভাঙাচ্ছি বলতে পারবেন না। কারণ একসঙ্গে লড়াই করেছি আমরা। সেই কংগ্রেস কর্মীদের সম্মান জানাই আমি যারা এই দুই দলের বিরুদ্ধে লড়ছেন এবং তৃণমূলের কাছে মাথানত করেননি। সিপিএম যেমন ভুগেছে, এরাও তেমন ভুগেছে অনেক মারধর-লাঠি-জেল-জরিমানা। সেই মর্যাদা দিতে হবে, তাঁরা যাননি তৃণমূলে। যদি ব্যবসায়িক বা বাণিজ্যিক বা রাজনৈতিক সম্পর্ক হয় তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে কংগ্রেসের, তার জন্য কেন কো-ল্যাটেরাল ড্যামেজ হবেন এঁরা?”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top