নিউজ ডেস্ক: অবশেষে জল্পনার অবসান! চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিল পাকিস্তান। আসন্ন ২০ ওভারের বিশ্বকাপ বয়কট করল না তারা। তবে ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে নামবেন না বাবর আজমরা। বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তাদের তরফ থেকে। যদিও সরকারিভাবে পিসিবির তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই এই খবর জানাজানি হতেই ব্যাপক হইচই পড়ে গিয়েছে গোটা ক্রিকেট মহলে। পাশাপাশি, উঠতে শুরু করেছে একাধিক প্রশ্নও।
তবে টিম ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে না খেললেও পাকিস্তান খেলবে আমেরিকা ও নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে। কিন্তু কি কারণে শেষ পর্যন্ত এই পথে হেঁটেছে? সরাসরি রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণেই এই সিদ্ধান্ত। অর্থাৎ ১৫ তারিখে যে ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল দুই দলের মধ্যে শ্রীলংকার মাঠে, তা আর হবে না। সুতরাং ক্রিকেটপ্রেমীদের যে এই খবর জেনে মন খারাপ হয়েছে, তা না বললেও বোঝা যায়।যদিও সরকারিভাবে পিসিবির তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়নি।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার পর নিয়মিত বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকি দিয়ে যাচ্ছিলেন পিসিবি প্রধান মহসিন নকভি। যদিও আইসিসির তরফ থেকেও তাদের পাল্টা চাপে রাখা হয় এবং পরিষ্কার করে দেওয়া হয় যে বিশ্বকাপ বয়কট করলে কি শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে তাদের। অবশেষে পুরো বিশ্বকাপ বয়কট না করে টিম ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু তা সত্বেও আইসিসির তরফ থেকে শাস্তির ভয় থেকেই যাচ্ছে তাদের জন্য। এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত কি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগামীদিনে এই ব্যাপারে নতুন কিছু দেখা যায় কিনা, সেটাই এখন দেখার।
উল্লেখ্য, এখনো পর্যন্ত বিশ্বকাপ স্তরের ম্যাচগুলিতে পাকিস্তান মাত্র একবার পরাজিত করেছে ভারতকে। সেটি ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। তবে সেটি বাদ দিয়ে বাকি ম্যাচ গেছে টিম ইন্ডিয়া আর ঝুলিতেই। এমনকি গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও সামান্য টার্গেট চেজ করতে গিয়ে লজ্জাজনক পরাজয়ের শিকার হতে হয় বাবরদের। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও ভারতের বিরুদ্ধে তেমন লড়াই দিতে পারেনি পাকিস্তান।



By













