দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডকে ঘিরে মামলা করা হয় কলকাতা হাই কোর্টে। আদালতের তরফ থেকে শুক্রবার মিছিল করার অনুমতি দেওয়া হয়। তবে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর উপর একাধিক শর্ত চাপানো হল বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের তরফ থেকে। সুতরাং মিছিল করার ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি নিয়ম মেনে চলতে হবে গেরুয়া শিবিরকে।
এদিন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ মিছিলের রুট কী হবে, তা জানিয়ে দেন। তিনি জানান, শুভেন্দু অধিকারী লোকবল নিয়ে মিছিল করতে পারবেন নরেন্দ্রপুর থানা অবধি গড়িয়া শীতলা মন্দির বা শহিদ ক্ষুদিরাম মেট্রো স্টেশন থেকে বাঁদিকের রাস্তা দিয়ে বাইপাস হয়ে। তবে যাওয়া যাবে পুলিশ স্টেশনের ২০০ মিটার আগে পর্যন্ত। মিছিলে কর্মী-সমর্থকদের সংখ্যা ২০০০এর বেশি হওয়া যাবে না। এছাড়া শুধু ৫ জন স্মারকলিপি জমা দিতে পারবেন থানায়।
তবে ১৬৩ ধারা জারি করা সত্ত্বেও আনন্দপুরের নাজিরাবাদে যান শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শঙ্কুদেব পণ্ডা, অগ্নিমিত্রা পল, সুব্রত ঠাকুর, নীলাদ্রিশেখর দানা সহ দলের একাধিক নেতা-নেত্রীরা। এই বিষয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন নন্দীগ্রাম বিধায়ক এবং জানান যে তৃণমূল সুপ্রিমো একবারও ঘটনাস্থলে আসেননি।
তিনি বলেন, “রাজধর্ম পালন করেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তুমি একবারও ঘটনাস্থলে আসেননি।” তবে তিনি মানুষের পাশে থাকতে এসেছেন বলে জানিয়েছেন। পাশাপাশি, শুভেন্দু অধিকারী এটাও জানিয়ে দেন, “দূর থেকে দেখব আইন মেনে।” এবার দেখার বিষয় যে শুক্রবারের মিছিল থেকে কি হয়। গেরুয়া শিবির কি করে বা সেদিন কোনও অশান্তি হয় কিনা, সেটাই এখন দেখার।



By










