দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে বাড়লো মৃতের সংখ্যা। এই পর্যন্ত সেই সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে ২১শে। এছাড়া পুলিশ অনুযায়ী নিখোঁজের সংখ্যা ২৮। তবে মনে করা হচ্ছে সংখ্যা বাড়তে পারে। যদিও এদিন বিকেলে ঘটনাস্থলে যাওয়ার কথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও একাধিক গেরুয়া শিবিরের নেতার। তবে বুধবার মাঝরাত থেকেই জারি করা হয়েছে ১৬৩ ধারা। সুতরাং সেই এলাকায় জমায়েত করা যাবে না। শুধু তাই নয়, সেখান থেকে কেউ যাতায়াত করলেও রাখা হবে কড়া নজর।
আনন্দপুর যেতে চেয়ে কলকাতা হাই কোর্ট গিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা, তথা বিজেপি বিধায়ক, শুভেন্দু অধিকারী। এখানেই শেষ নয়, আবেদন পর্যন্ত করা হয়েছে শিতলামন্দির থেকে ঘটনাস্থল পর্যন্ত মিছিলের জন্য। আজ দুপুর দুটো নাগাদ মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে। সেক্ষেত্রে নজর থাকবে যে আজ কি বলা হয় আদালতের তরফ থেকে।
প্রসঙ্গত, ঘটনার সূত্রপাত রবিবার ভোর রাতে। স্থানীয়দের প্রায় রাত তিনটে নাগাদ নজরে আসে আগুনের লেলিহান শিখা এবং খবর দেওয়া হয় পুলিশ ও দমকলকে। ঘটনাস্থলে হাজির হয় দমকলের বারোটি ইঞ্জিন এবং শুরু হয় আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ। তবে তা করতে গিয়ে বেশ বেগ পেতে হয়। প্রায় দেড় দিন পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
এই পর্যন্ত ২১ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হলেও মনে করা হচ্ছে সেই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। সম্প্রতি, সেই পুড়ে যাওয়া গুদাম থেকে পাওয়া যায় কয়েকজনের দেহাংশ। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দুটি মামলা রুজু করে। সরকারের তরফ থেকে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে তিনি পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছেন আমি তোদের পরিবারের সদস্যদেরকে সিভিকে চাকরি দেওয়ার জন্য।



By










