দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: সম্প্রতি শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে বিজেপি। ২৯৪টি আসনের মধ্যে ফল বেরিয়েছে ২৯৩টি আসনের। ২০০র বেশি আসন পেয়ে জয় পাওয়ার পাশাপাশি ইতিহাস গড়েছে গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে, প্রাক্তন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস ১০০র কম আসন পেয়েছে। খাতা খুলেছে বাম, কংগ্রেস, আইএসএফ ও হুমায়ুন কবিরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টিও।
ফলাফল প্রকাশের পরই দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা যায় পাঁচ মুখপাত্র – ঋজু দত্ত, কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী, কোহিনুর মজুমদার, পাপিয়া ঘোষ এবং কার্তিক ঘোষকে। বিষয়টি জনসাধারণের মাঝে আসতেই পড়ে যায় হইচই। রাজনৈতিক মহলে উঠতে শুরু করে একাধিক প্রশ্ন। রাজ্যবাসীদের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়। বলা যায়, এটি হওয়ার চেয়ে চরম অস্বস্তিতে পড়তে হয় দলকে।
এমন পরিস্থিতিতে পাঁচজন মুখপাত্রকেই শোকজ করা হয়। নোটিস পাঠানো হয়েছে তাঁদের। দলের শৃঙ্খলারক্ষাকারী কমিটির তরফ থেকে ডেরেক ও’ব্রায়েন তাঁদের নির্দেশ দেন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দেওয়ার। ঘাসফুল শিবির জানতে চেয়েছে যে কেন তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে না শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে।
কিন্তু নির্ধারিত সময়ের পর যুক্তিসঙ্গত উত্তর না মেলায় সাসপেন্ড করা হয় কোহিনুর মজুমদার, ঋজু দত্ত ও কার্তিক ঘোষকে। ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করা হয় তাঁদের। তিনজনের কাছেই সাসপেনশনের নির্দেশ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। স্বাভাবিকভাবেই, বিষয়টি জানাজানি হতেই হইচই পড়ে গিয়েছে সমগ্র রাজনৈতিক মহলে। উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এতে অস্বস্তি বাড়ল ঘাসফুল শিবিরের।



By









