দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: বিধানসভার অধিবেশনে দেখা গেল এক সম্পূর্ণ চমকে দেওয়ার মতো দৃশ্য। নিজের জবাবি ভাষণের মাঝেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বক্তব্য রাখার সুযোগ দেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষকে। এখানেই শেষ নয়, তিনি লিখিতভাবে পর্যন্ত জানাতে বলেন যদি তৃণমূলের ‘বেইমান’ বিধায়কদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে। এরপর তাঁর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ফের বিধানসভার ভিতরে শোরগোল পড়ে।
মঙ্গলবার বাজেট অধিবেশনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী শিবিরকে তীব্র আক্রমণ করেন। বিরোধী দলনেতাকে কটাক্ষ করায় ঋতব্রতপন্থী বিধায়করা প্রতিবাদ জানাতে ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখান এবং পরে ছাড়েন অধিবেশন কক্ষ। তখন মুখ্যমন্ত্রীর তরফ থেকে কটাক্ষ করে বলা হয়, “কালীঘাট তৃণমূল রয়ে গেল, আর বেরিয়ে গেলেন নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি করা সদস্যরা।”
এই পরিস্থিতিতে কুণাল ঘোষ বক্তব্য রাখতে চাইলে প্রথমে, নিয়ম অনুযায়ী, আপত্তি জানানো হয় স্পিকারের তরফ থেকে। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী নিজেই তাঁকে বলতে দেন। তখন কুণাল ঘোষ বলেন, “যা যা ব্যবস্থা নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, তার পূর্ণ সমর্থন করছি। কিন্তু যাঁরা যাঁরা বাঁচার চেষ্টা করছেন হঠাৎ তৃণমূলের সঙ্গে ঝগড়া করে, বাঁচতে দেবেন না তাঁদের একটাকে। আর যেটা নারী নির্যাতন বলছেন আপনারা, ঋতব্রত নিজে একজন রেপে অভিযুক্ত।” এবার দেখার বিষয় যে কুণাল ঘোষ লিখিত অভিযোগ জানালে শুভেন্দু অধিকারী তা গুরুত্ব দেন কিনা। কী হয় শেষ পর্যন্ত? সেটাই এখন দেখার। তবে আজকের এই ঘটনার পর যে ঋতব্রত শিবির একটা ধাক্কা খেয়েছে, তা না বললেও স্পষ্ট।



By










