দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে সংগঠনকে মজবুত করার পাশাপাশি রাজ্যবাসীর মাঝে পৌঁছানোর লক্ষ্যে বঙ্গ বিজেপির তরফ থেকে নেওয়া হয় ‘পরিবর্তন যাত্রা’ নামে এক অভিনব কর্মসূচি। তা নিয়েই এদিন গেরুয়া শিবিরকে কটাক্ষ করেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক, তথা ডায়মন্ড হারবার সাংসদ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কী বললেন তিনি? ঘাসফুল শিবিরের সেনাপতির বক্তব্য, এই প্রথম তিনি রথযাত্রা হতে দেখছেন ফেব্রুয়ারি মাসে।
সোমবার নজরুল মঞ্চে ‘তপশিলির সংলাপ’ সমাবেশে উপস্থিত হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি কর্মসূচির সূচনা করেন। এরপর সকলের উদ্দেশ্যে একের পর এক বার্তা দেন। শুধু তাই নয়, একের পর এক ইস্যু তুলে আক্রমণ করেন পদ্ম শিবিরকেও, যার মধ্যে অন্যতম গেরুয়া শিবিরের পরিবর্তন যাত্রা। তাদের ‘জমিদারবাবু’ বলে সম্বোধন করে তিনি দাবি করেন যে এই প্রথম তিনি ফেব্রুয়ারি মাসে রথযাত্রা হতে দেখছেন। শুধু তাই নয়, তিনি এই কর্মসূচিতে ‘চোর চিটিংবাজ’দের রথযাত্রার তকমাও দেন।
পদ্ম শিবিরের এই কর্মসূচিকে কটাক্ষ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “গতকাল থেকে রথযাত্রা শুরু করেছে জমিদারবাবুরা। এই প্রথম ফেব্রুয়ারিতে রথ দেখছি।” তাঁর সংযোজন, “দেব-দেবীদের রথযাত্রা দেখেছি। এই প্রথম রথযাত্রা দেখছি চোর চোর চিটিংবাজদের।” এরপরই রাজ্যবাসীদের উদ্দেশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা, “৭০ আসন পেয়েই রথ করছে। একবার ভেবে দেখুন আরো ৭০ পেলে কি করত? রথ আপনাদের এলাকা দিয়ে গেলে মাছ, মাংস খাওয়াবেন। অতিথি দেব ভব। মাছ খেতে বারণ করে ওদের নেতারা। কিন্তু আমরা আপ্যায়ন করব অতিথিদের। দাঁড়িয়ে থাকবেন হাতে নিয়ে।”
উল্লেখ্য, আসন্ন বিধানসভা ভোটকে পাখিরচোখ করে বঙ্গ বিজেপির তরফ থেকে শুরু করা হয়েছে পরিবর্তন যাত্রা। এই কর্মসূচির সূচনা করেছেন দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রেই ছুঁয়ে যাবে এই যাত্রা। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে বাংলার রাজনৈতিক মহলে। এবার দেখার বিষয় যে আগামীদিনে এই যাত্রা চলাকালীন কি কি হয়।



By










