দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: এই মুহূর্তে বঙ্গ রাজনীতির সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে, ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভায় যাওয়ার সময়ে, বিজেপি কর্মীদের হামলা। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, হামলার সময়ে শশী পাঁজা বাড়িতেই ছিলেন। তৃণমূল কর্মীদের তরফ থেকে পাল্টা দেওয়া হতেই সংঘর্ষ শুরু হয়। তাতে আহত হন বিজেপি নেতা তমঘ্ন ঘোষ। জখম হন বউবাজার থানার ওসিও। দুই দলেরই একাধিক কর্মী আহত হয়েছেন। মন্ত্রী নিজেও সামান্য জখম হয়েছেন।
শনিবার ব্রিগেডে যাওয়ার সময়ে বিজেপি কর্মীরা শশী পাঁজার বাড়ির সামনে ‘বয়কট বিজেপি’ ব্যানার ছিড়ে ফেলেন। সেখান থেকেই অশান্তির সূত্রপাত। তিনি বলেন, “বিজেপি বহিরাগতদের দিয়ে সভা করছে। এরাই বাস থেকে নেমে আমার বাড়ির সামনে প্ল্যাকার্ড ছিড়ে পালিয়েছে। কেন? মুখোমুখি দাঁড়াক যদি সাহস থাকে। এতটা কাপুরুষ যে ওরা ভাঙচুর চালিয়েছে মেন রাস্তায় দাঁড়িয়ে আমার বাড়ির ঢোকার মুখে। ইট ছোড়ায় আমার বাড়ির জালনার কাঁচ ভেঙেছে। গায়ে লেগেছে আমার। ওরা আমাকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করছে।”
গেরুয়া শিবিরকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে মন্ত্রী বলেন, “সত্যিই যে বাংলার মানুষ ওদের বয়কট করেছে, সেটা ওরা বুঝতে পেরেছে এবং সেই কারণেই আমলা চালাচ্ছে এমন মরিয়া হয়ে।” এরপরই শশী পাঁজার হুংকার, “কিন্তু আমরা বলছি, যতই করো হামলা, আবার জিতবে বাংলা।” যদিও গেরুয়া শিবিরের পাল্টা অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীরাই নাকি বাস থামিয়ে হামলা চালিয়েছেন সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে শশী পাঁজার বাড়ির সামনে বয়কট বিজেপি পোস্টার ছেঁড়ার পর। এরপরই শুরু হয় উগ্র অশান্তি।



By










