দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: ‘হাই ভোল্টেজ’ দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকের আগে ‘জনতার দরবারে’ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সকাল সাড়ে নটা নাগাদ তিনি পৌঁছান সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে। তাঁর সাথে রয়েছেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। নয়া মুখ্যমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানানো হয় দলীয় কর্মীদের তরফ থেকে। জানা গিয়েছে, ‘জনতার দরবারে’ প্রথম দিনেই ভিড় চাকরিপ্রার্থীদের।
এরপরই রাজ্যের নতুন সর্বোচ্চ নেতা সোজা চলে যাবেন নবান্নে বলে খবর। সেখানে তাঁর বেশ কয়েকটি বৈঠক রয়েছে। তাঁর বৈঠক করার কথা বিএসএফের সাথে জমি হস্তান্তর সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে। এছাড়া আলোচনা হবে আরজি কর, নারী নির্যাতন থেকে শুরু করে বকেয়া ডিএ, পে কমিশন সহ একাধিক বিষয় নিয়ে। প্রসঙ্গত, গত বৈঠকে বিএসএফকে জমি হস্তান্তর, নানা কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সাথে যুক্ত হওয়া, আবেদনের বয়সসীমা ৫ বছর বাড়ানো সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার শুরু করার মতো অজস্র গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই কারণে আজ কি ঘোষণা হতে পারে, তার দিকে নজর রয়েছে সকলের।
উল্লেখ্য, কদিন আগে শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে ২০০র বেশি আসন জিতে রাজ্যে প্রথমবার সরকার গড়েছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী। এবার তিনি দুই স্পর্শকাতর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন – নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর। দুটিতেই জয় পান তিনি। নন্দীগ্রামে তিনি পরাজিত করেন পবিত্র করকে। অন্যদিকে, ভবানীপুরে তিনি পরাজিত করেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, তথা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তবে নিয়ম অনুযায়ী যেহেতু একটি আসন ছাড়তে হয়, তাই শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবে শপথ নেন। তবে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই একের পর এক কড়া সিদ্ধান্ত নিয়ে চলেছেন তিনি, যার প্রশংসা ও সমালোচনা দুটোই হয়েছে। এবার দেখার যে শুভেন্দু অধিকারীর শাসনে কতটা উন্নতি হয় পশ্চিমবঙ্গের।



By










