দেবজিৎ মুখার্জি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মুখ্যমন্ত্রীর সিংহাসনে বসার পর থেকে ইতিমধ্যেই একাধিক কড়া পদক্ষেপ নিয়ে ফেলেছেন শুভেন্দু অধিকারী, যা ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে প্রতিনিয়ত আলোচনা চলছে। গেরুয়া শিবিরের তরফ থেকে একাধিকবার পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে যে দুর্নীতির ক্ষেত্রে তারা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে হাঁটবে। অর্থাৎ তা দণ্ডনীয় অপরাধের সমান এবং এক্ষেত্রে কোনও রেহাই দেওয়া হবে না জড়িতদের।
এই আবহে শনিবার ডায়মন্ড হারবারে প্রশাসনিক বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপার, পুলিশ কমিশনার ও শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপস্থিতিতে তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে। বিশেষ করে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে কাটমানি আদায়, হকার ও অটোচালকদের কাছ থেকে তোলা তোলার অভিযোগ উঠলেই তিনি কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন।
শুভেন্দু অধিকারীর তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয় যে যদি সাধারণ মানুষকে টাকা দিতে হয়ে থাকে রাজ্য বা কেন্দ্রের কোনও প্রকল্পের সুবিধা পেতে গিয়ে, তাহলে অভিযোগ জানানো যাবে নতুন করে এবং তার গুরুত্বের সঙ্গে দেখে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। প্রশাসনের উদ্দেশ্যে প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা বলেন, “কাউকে টাকা দিতে হবে না মানুষের প্রাপ্য পরিষেবা পেতে। সরকার, দুর্নীতির বিরুদ্ধে, জিরো টলারেন্স নীতিতেই চলবে।”
আর্থিক দুর্নীতির পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারীর তরফ থেকে ঘোষণা করা হয় ভোট-পরবর্তী হিংসা ও মহিলাদের উপর নির্যাতনের ঘটনাতেও নয়াভাবে অভিযোগ দায়েরের সুযোগ দেওয়ার কথা। তিনি জানান যে অতীতে অনেকে অভিযোগ জানাতে পারেননি ভয় বা চাপের জেরে। এবার সরকার দাঁড়াবে তাঁদের পাশে। পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয় সংবেদনশীল ও দ্রুত পদক্ষেপ করারও।



By











