দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: আরো এক মাস্টারস্ট্রোক রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। মন্ত্রীসভার দ্বিতীয় বৈঠকেই তিনি সুখবর দিলেন সরকারি কর্মচারীদের। সিলমোহর পড়ল সপ্তম পে কমিশনে। স্বাভাবিকভাবেই, এই মুহূর্তে যে এক আলাদা খুশির হাওয়া বইছে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে, তা বলাই বাহুল্য।
সম্প্রতি শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার পর্বে গেরুয়া শিবিরের তরফ থেকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে তাদের যদি ক্ষমতায় নিয়ে আসা হয়, তাহলে ৪৫ দিনের মধ্যে কার্যকর করা হবে সপ্তম পে কমিশন। এদিনের মন্ত্রীসভার বৈঠকের আগে সরকারি কর্মচারীরা আশায় বুক বেঁধেছিলেন যে এই ব্যাপারে কিছু ঘোষণা হতে পারে। অবশেষে তাই হয়।
সোমবার মন্ত্রীসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। সেখানে তিনি সপ্তম পে কমিশনে সিলমোহর পড়ার বিষয়টি জানান। তবে জানা গিয়েছে যে এদিন কোনও বিশেষ আলোচনা হয়নি বকেয়া ডিএ নিয়ে। তবে যেহেতু ‘ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর’এর উপরই নির্ভর করবে বেতন বাড়ার প্রকৃত হার, তাই এখন সেদিকেই নজর সরকারি কর্মীদের।
উল্লেখ্য, কদিন আগে শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে ২০০র বেশি আসন জিতে রাজ্যে প্রথমবার সরকার গড়েছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী। এবার তিনি দুই স্পর্শকাতর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন – নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর। দুটিতেই জয় পান তিনি। নন্দীগ্রামে তিনি পরাজিত করেন পবিত্র করকে। অন্যদিকে, ভবানীপুরে তিনি পরাজিত করেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, তথা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তবে নিয়ম অনুযায়ী যেহেতু একটি আসন ছাড়তে হয়, তাই শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবে শপথ নেন। তবে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই একের পর এক কড়া সিদ্ধান্ত নিয়ে চলেছেন তিনি, যার প্রশংসা ও সমালোচনা দুটোই হয়েছে। এবার দেখার যে শুভেন্দু অধিকারীর শাসনে কতটা উন্নতি হয় পশ্চিমবঙ্গের।



By










