দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: সোমবার ফের সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার শুনানি। তার আগে বড় পদক্ষেপ নবান্নের। কী সেই পদক্ষেপ? কমিশনকে তাদের তরফ থেকে চিঠি দিয়ে যথেষ্ট পরিমাণের গ্রুপ বি আধিকারিক দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। মনে করা হচ্ছে যে নবান্নের এই পদক্ষেপের জেরে চাপ বাড়লো কমিশনের। আইনি মহল মনে করছে যে এতে একদিকে নিজেদের সিদ্ধান্ত বদল ও লাগাতার সময় পিছিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি শীর্ষ আদালতের নির্দেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হচ্ছে তারা।
গত বুধবার কমিশনের আইনজীবী শীর্ষ আদালতে জানিয়েছিলেন যে রাজ্য যথেষ্ট পরিমাণের গ্রুপ বি আধিকারিক দিচ্ছে না বলেই অন্য রাজ্য থেকে নিয়োগ করতে হচ্ছে আধিকারিক। এরপর রাজ্য সরকারকে তালিকা দিতে বলা হয় কোর্টের তরফ থেকে। বেঞ্চের তরফ থেকে রাজ্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল কত সংখ্যক গ্রুপ বি আধিকারিক তারা দিতে পারবে, তা কমিশনকে সোমবারের মধ্যে জানানোর।
সেই অনুযায়ী শনিবার নবান্নের তরফ থেকে কমিশনকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এসআইআর কাজের জন্য ৮ হাজার ৫০৫ জন আধিকারিক দিতে পারার কথা। তৃণমূল সুপ্রিমোর দাবি অনুযায়ী, শনিবার কমিশন মান্যতা দিতে বাধ্য হয়েছে ডোমিসাইল সার্টিফিকেটকে প্রমাণ করার নথি হিসেবে। সেক্ষেত্রে শীর্ষ আদালতে শুনানির আগে এখন বিষয়টি অনেক প্রশ্ন তুলেছে বঙ্গ রাজনৈতিক মহলের অন্দরে। বলে রাখা ভালো, সোমবারের শুনানিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকবেন বলে খবর।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার প্রধান বিচারপতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য শোনার পর বলেছেন, “দেখছি, তেমন হলে সময় বাড়ানো হবে। ফের সোমবার শুনানি। যেই কারণে তিনি এসেছিলেন, বাংলার মানুষদের হয়ে, অনেকটাই বলেছেন। সেদিন যদি আসেন, পরের দিন বাকিটা বলতে পারবেন। সবচেয়ে বড় কথা, উনি বলতে পারলেন বাংলার মানুষের হয়ে।” শুনানি শেষে দু’পক্ষকেই নোটিস দেওয়া হয়। কমিশনের তরফ থেকে কি কি পদক্ষেপ করা হচ্ছে, তা জানানোর নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি রাজ্য কত অফিসার দিতে পারবে, তা জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয় নবান্নকে। এছাড়া আদালতের তরফ থেকে এটাও জানানো হয়েছে যে মাইক্রো অবজারভারের দরকার নেই যদি রাজ্য সহযোগিতা করে এবং কমিশনকে সেন্সেটিভ হতে বলে।



By










