দেবজিৎ মুখার্জি: সোমবার এসআইআর মামলার শুনানিতে বড় নির্দেশ দেওয়া হল সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে। কী সেই নির্দেশ? শীর্ষ আদালতের তরফ থেকে পরিষ্কার করে দেওয়া হলো যে মাইক্রো অবজার্ভাররা শুধু সহযোগিতা করতে পারবেন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারবে ইআরওই। শুধু তাই নয়, আদালতের তরফ থেকে আরো এক সপ্তাহ সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের ক্ষেত্রে।
এদিন আদালতে বেশ কয়েকটি আবেদন করা হয় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী শ্যাম দিওয়ানের তরফ থেকে। পাশাপাশি প্রশ্ন করতে দেখা যায় তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। অভিষেক মনুসিংভিও প্রশ্ন করেন। সকলেরই বক্তব্য শোনে আদালত এবং এরপর তারা জানায় যে এসআইআর কাজে বাধা দেওয়া যাবে না এবং আরো এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের জন্য।
এই সবকিছুর মাঝে অন্য রাজ্য থেকে আনা মাইক্রো অবজারভারদের নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শ্যাম দিওয়ান। তাঁর বক্তব্য, তাঁরা পুরোপুরি ট্রেন্ড নন এমন জটিল এসআইআর কাজ করার বিষয়ে। শুধু তাই নয়, এর সঙ্গে তিনি এটাও জানান যে তাঁরা যদি সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে অজস্র নাম বাদ পড়তে পারে ভোটার তালিকা থেকে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের তরফ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
সুপ্রিম কোর্টের বক্তব্য, “শুধু সহযোগিতা করবেন মাইক্রো অবজারভাররা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে। ইআরওই অন্তিম সিদ্ধান্ত নেবে।” এর সাথে এটাও পরিষ্কার করে দেওয়া হয় যে তাঁরা চিহ্নিত স্ট্যাচুয়েটরি অথরিটিকে শুধু অ্যাসিস্ট করবেন। পাশাপাশি আদালতের তরফ থেকে এটাও নির্দেশ দেওয়া হয় কমিশনকে যে তারা অল্প সময়ের মধ্যে ট্রেনিং দিয়ে মাইক্রো অবজারভার, ইআরও পদ দিতে পারবে রাজ্যের দেওয়া গ্রুপ বি অফিসারদের। শীর্ষ আদালতের এই নির্দেশ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া এসেছে রাজনৈতিক মহলের তরফ থেকে। এবার দেখার বিষয় যে এর পরবর্তী অধ্যায় কি হয়। তবে এর সঙ্গে যে আরও একাধিক প্রশ্ন জন্মেছে, তা বলাই বাহুল্য।



By










