দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: রাজ্যে বিনা কোনও পরিকল্পনার এসআইআর প্রক্রিয়ার জেরে প্রাণ হারিয়েছেন ১২৬ জন। এর প্রতিবাদ জানাতে রবিবার ২৫ জানুয়ারি রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখানেই শেষ নয়, শনিবারের ভার্চুয়াল বৈঠক থেকে ঘাসফুল শিবিরের সেনাপতি এও জানালেন যে বুথ-ভিত্তিক ভোটরক্ষা কমিটি তৈরি করা হবে সমস্ত বিএলএ-২ এবং বুথ সভাপতিদের নিয়ে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি তালিকা প্রকাশের পর।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমরা আত্মনির্ভর বাংলা তৈরি করে দেখিয়েছি দিল্লির এত বঞ্চনা সত্ত্বেও। সমস্ত রাজ্য হার মেনেছে এসআইআর নিয়ে লড়াইতে। কিন্তু ওদের হাতেনাতে ধরেছি আমরা এবং পরাজিত করেছি শীর্ষ আদালতে। তাই যতই করো হামলা, আবার জিতবে বাংলা বলি আমরা। কমিশনের হয়ে যে মাইক্রো অভজারভাররা এসেছেন, আমরা দেখেছি তারা ডিইওদের লগইন আইডি চাইছেন। আইন অনুযায়ী আমরা বিষয়টি দেখব এবং পদক্ষেপ নেব।” এদিন ডায়মন্ড হারবার সংসদ এটাও জানিয়ে দেন যে দলের প্রতিনিধিরা নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে গিয়েও দেখা করবেন।
প্রসঙ্গত, এসআইআর ইস্যুতে প্রথম থেকেই আওয়াজ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন যে কেন্দ্রের উদ্দেশ্য এর দ্বারা এনআরসি করানো। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে একজন বৈধ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়লে রাজধানীতে আন্দোলন হবে। সংসদেও দলীয় সাংসদরা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন।
অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি এবং পাল্টা অভিযোগের আঙুল তোলে ঘাসফুল শিবিরের দিকে। যদিও শেষ পর্যন্ত বাংলায় এসআইআর শুরু করা হয়েছে। বর্তমানে তা নিয়ে রাজনৈতিক তরজা একেবারে তুঙ্গে পৌঁছেছে। একে অপরকে লাগাতার আক্রমণ করে চলেছে তৃণমূল ও বিজেপি। দুজনেই আশাবাদী যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে জয় তাদের দলেরই হবে। সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত জল গড়ায়।



By









