দেবজিৎ মুখার্জি: পশ্চিম এশিয়ায় চলতি সংঘাতের জেরে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে গোটা বিশ্বে। তবে এই পরিস্থিতিতেও দেশবাসীকে আশ্বস্ত করলো মোদি সরকার। কী বক্তব্য তাদের? সোমবার তাদের তরফ থেকে জানানো হলো যে দেশে কোনও ঘাটতি নেই পেট্রল-ডিজেল বা অপরিশোধিত তেলের। শুধু তাই নয়, অযাচিত আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বানও জানায় তারা।
সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে কেন্দ্রের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব সুজাতা শর্মা বলেন, “বর্তমানে সংস্যা চলছে যে অঞ্চলগুলিতে, দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ জ্বালানি সেখান থেকেই আমদানি করা হয়। কিন্তু সরকারের তরফ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বিঘ্ন কমাতে। আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই দেশবাসীর। ভারতের যথেষ্ট পরিমাণের সরবরাহ রয়েছে সবরকমের জ্বালানির।”
তাঁর সংযোজন, “অস্থির বিশ্বে জ্বালানি রিজার্ভেশন ও দেশের অর্থনীতির উপর বার্ডেন কমানোর এক প্রচেষ্টা হিসাবে দেখা উচিত প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বার্তাকে। একরকম সংকট চলছে গোটা বিশ্বে। সেই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে সংযত হওয়ার বার্তা দিয়েছেন, যাতে বিবেচনা করে দেশবাসী জ্বালানি ব্যবহার করেন।”
প্রসঙ্গত, রবিবার তেলেঙ্গানায় এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তরফ থেকে জ্বালানি তেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংযত হওয়ার বার্তা দেওয়া হয়। তিনি বলেন, “সংযত হন জ্বালানি তেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে। (যেহেতু) ভারত বাইরে থেকে আমদানি করে তার দরকারের বেশিরভাগ জ্বালানিই।” নামোর এই বক্তব্যের পাল্টা দেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক কেসি বেনুগোপাল।
তিনি বলেন, “ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ শুরু হওয়ার ৩ মাস পরেও এখনো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দিশেহারা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে।” তাঁর সংযোজন, “আমাদের অর্থনীতি যাতে এই বৈশ্বিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বদলে সাধারণ মানুষকে যেভাবে অসুবিধায় ফেলেছেন প্রধানমন্ত্রী, তা নির্লজ্জ, বেপরোয়া ও চরম অনৈতিক।”



By













