দেবজিৎ মুখার্জি: সম্প্রতি, শীর্ষ আদালতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করে গোটা দেশে ইতিহাস গড়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিভিন্ন মহল থেকে প্রশংসা এলেও বাংলায় তাঁকে কটাক্ষ করেছেন বিরোধীরা। বলা ভালো, এখনো করে চলেছেন। তবে বঙ্গ সিপিএম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করলেও সম্পূর্ণ আলাদা শোনা গেল ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, তথা সিপিএম নেতা মানিক সরকারের গলায়। কী বলেছেন তিনি? তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা করেছেন ঠিক করেছেন।
রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে মানিক সরকার বলেন, “শীর্ষ আদালতে নিজের পুরো অবস্থান তুলে ধরেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তিনি পুরো কথা ৬-৭ টিপয়েন্টে কথা বলেছেন। উনি একজন মুখ্যমন্ত্রী এবং আইনজীবীও। যদিও সেখানে তিনি জানান যে তিনি বাংলার নাগরিকদের হয়ে কথা বলেছেন। বেশ দেরি করে ফেলেছেন উনি। ভালো হতো যদি আরেকটু আগে যেতেন। তবুও আমি খাটো করে দেখতে পারছি না ওনার আদালতে গিয়ে কথা বলাটা। বরং এটা বলব যে এটা খুব কার্যকরী কাজ। এক্ষেত্রে দেখার যে সোমবার আদালতের তরফ থেকে কি বলা হয়।”
এদিন নির্বাচন কমিশনকেও একহাত নিয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “নিরপেক্ষ না থেকে কমিশন কাজ করছে নিজেদের পছন্দের লোকেদের বগলদাবা করে, সাহায্য করছে বিজেপিকে। এসআইআরকে সামনে রেখে আসলে টার্গেট করা হচ্ছে মুসলিম, তফসিলভুক্ত ও দরিদ্র শ্রেণির ভোটারদের। কারণ বিজেপির বিরুদ্ধে এরাই সবচেয়ে বেশি রেগে আছে। তাই চক্রান্ত চলছে ভোটার তালিকা থেকে তাঁদের নাম মুছে বাদ দিয়ে দেওয়ার। এর বিরুদ্ধে তৈরি করতে হবে বড় প্রতিরোধ। আমরা আসল ভোটারদের বিবেচনা করি না হিন্দু না মুসলিম, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান বা তিনি কোন দল করেন। শুধু দেখতে হবে তিনি আসল ভোটার কিনা। সেখানে যদি কারোর নাম বাদ পড়ে, তাহলে প্রতিবাদ করব আমরা। তা জারি রাখবো।” এবার দেখার বিষয় যে সোমবার কি বলে আদালত।



By










