• Home
  • জেলার খবর
  • ফলপ্রকাশের মাসপূর্তিতে কর্মীদের লড়াইয়ের বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ফলপ্রকাশের মাসপূর্তিতে কর্মীদের লড়াইয়ের বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Image

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: চলতি বছরে বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের মাসপূর্তিতে কর্মীদের লড়াইয়ের বার্তা দেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সাফ কথা, রাজনৈতিক বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও থেমে থাকবে না লড়াই, বরং কাজ শুরু হয়েছে নতুন করে সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার।

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রায় ১৫ বছরের শাসনে দাগ টেনে বাংলায় ইতিহাস গড়েছে বিজেপি। বিপুল সংখ্যক আসন জিতে সরকার গঠন করেছে তারা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সহ দলের একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী বিভিন্ন আসন থেকে জয়ী হন। অন্যদিকে, মুখ থুবড়ে পড়েন ঘাসফুল শিবিরের অধিকাংশ প্রভাবশালী প্রার্থী। পরাজয়ের মুখ দেখেন খোদ দলের সুপ্রিমো, তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, মাসপূর্তি অষ্টাদশ বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের। এদিন দোলা সেন, মদন মিত্র, কুণাল ঘোষ ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সহ দলের একাধিক নেতা-কর্মীদের নিয়ে রাজা রামমোহন লাইব্রেরিতে উপস্থিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে কর্মসূচি শুরু হয় মনীষীদের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের দ্বারা। দোলা সেন সঙ্গীত পরিবেশন করেন অনুষ্ঠানে। সাংস্কৃতিক আবহের মধ্যেই দলীয় কর্মীদের লড়াই ও ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পরিষ্কার করে দেন যে রাজনৈতিক বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও লড়াই চলবে এবং কাজ শুরু হয়েছে নতুন করে সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। লাইব্রেরি থেকে বেরিয়ে তিনি ধর্মতলায় নেতাজির মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানান এবং এরপর কালীঘাট মন্দিরে যান।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল দুটি দফায় এবং ফলপ্রকাশ হয়েছিল মে মাসের ৪ তারিখে। দুশোর বেশি আসন নিজেদের নামে করে গেরুয়া শিবির।  অন্যদিকে, প্রাক্তন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের ঝুলিতে যায় একশোরও কম আসন। শূন্যের গণ্ডি পেরিয়েছে সিপিএম ও কংগ্রেস। অন্যদিকে, নিজেদের গড় ভাঙর ধরে রাখতে সফল হয় আইএসএফ। হুমায়ুন কবিরের দল আমজনতা উন্নয়ন পার্টিও প্রথমবার ভোটের ময়দানে নেমে খাতা খুলেছে।

যদিও এবারের নির্বাচনে এসআইআরের কারণে বহু ভোটার ভোট দিতে পারেননি, যা ঘিরে জোর আলোচনা অব্যাহত রয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। এছাড়া দেখা গিয়েছিল নজিরবিহীন নিরাপত্তা। প্রথম থেকেই নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কড়া অবস্থান নেওয়া হয়েছিল নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে এবং অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে কোনরকম খামতি রাখা হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top