দেবজিৎ মুখার্জি: অনুপ্রবেশ ইস্যুতে প্রতিনিয়তই পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করে চলেছে বিজেপি। এবার সংসদে দাঁড়িয়েই তার জবাব দিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কী বললেন তিনি? ঘাসফুল শিবিরের সেনাপতি দিল্লি ও পহেলগাওয়ের উদাহরণ তুলে ধরেন। শুধু তাই নয়, নাম না করে এসআইআর নিয়েও বক্তব্য তুলে ধরেন তিনি। এক কথায় বলতে গেলে, একাধিক ইস্যুতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অলআউট আক্রমণ করেন কেন্দ্রকে।
গেরুয়া শিবিরের বরাবরের অভিযোগ ঘাসফুল শিবির অনুপ্রবেশকারীদের পক্ষে। সম্প্রতি, বাংলার মাটিতে সভা করে এমনটাই দাবি করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুধু তাই নয়, কয়েকদিন আগে সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও বলেছিলেন যে তৃণমূল কংগ্রেস আদালতে লড়াই করছে অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর জন্য। যদিও বিজেপির এই জাতীয় অভিযোগের জবাব প্রতিনিয়তই দিয়ে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না। মঙ্গলবার সংসদে দাঁড়িয়ে এই ব্যাপারে বিজেপিকে জবাব দেন দলের ডায়মন্ড হারবার সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গতবছরের দিল্লি ও পহেলগাওয়ের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, “অনুপ্রবেশ নিয়ে এত কথা। আমাদের সীমানা নিরাপদ, এটা বলা হয় সর্বোচ্চ মন্ত্রকের তরফ থেকে। তাহলে সশস্ত্র অনুপ্রবেশকারীরা কি করে ঢুকলেন দিল্লির বুকে, পেহেলগাওয়ের বুকে?”
পাশাপাশি, এসআইআর নিয়েও বক্তব্য রাখেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সরাসরি সেটির নাম নেননি। তিনি বলেন, “অস্তিত্বের প্রমাণ দেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয় বছরের পর বছর ভোটার তালিকায় নাম থাকা। দেশের সেবা করলেও গ্যারান্টিড নয় আপনার ভোটাধিকার। মন্ত্রী, সাংসদ, খেলোয়াড়, এমনকি নোবেলজয়ীদেরও নয়।” তবে এই ইস্যুগুলি ছাড়াও আরো একাধিক ইস্যু নিয়ে আওয়াজ তোলেন ঘাসফুল শিবিরের সেনাপতি।
এবার দেখার বিষয় যে এই ইস্যুগুলি নিয়ে আগামীদিনে কি হয় বঙ্গ ও জাতীয় রাজনীতিতে। পাশাপাশি, এই ইস্যুগুলির জন্য কি ভোটবাক্সে চাপ পড়তে পারে বিজেপির? এই সংক্রান্ত একাধিক প্রশ্ন জন্মেছে বঙ্গ ও জাতীয় রাজনীতিতে। সেক্ষেত্রে এখন দেখার যে আগে কি হয়।



By









