নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসের কারণে ভয়াবহ হড়পা বানে ৩৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ৩৮৯ জন নেপালের এবং ৩ জন তিব্বতের বাসিন্দা। এখনও ১,৪৬৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
দুর্গত এলাকা ও ক্ষয়ক্ষতি
- রাস্তা ধ্বংস, সেতু ভেঙে পড়া এবং কাদা জমে উদ্ধারকাজে বাধা।
- রসুয়া ও নুয়াকোটের একাধিক এলাকা কাদা ও ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়েছে।
- জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত, কয়েকটি গ্রাম বিচ্ছিন্ন।
- নতুন বেরিয়ার হ্রদ তৈরি হয়েছে, যা ভেঙে গেলে ফের বিপর্যয় আশঙ্কা।
উদ্ধার অভিযান ও ভারতীয় নাগরিকদের অবস্থা
- নেপাল পুলিশ ও নিরাপত্তাবাহিনী বিপজ্জনক এলাকা থেকে ৭৯৬ জনকে হেলিকপ্টারে ও ৭৯৬ জনকে স্থলপথে উদ্ধার করেছে।
- চিতওয়ান থেকে ১৩৭টি মৃতদেহ উদ্ধার।
- বিদেশ মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, নেপালে থাকা ২৯০ জন ভারতীয়ের সঙ্গে এখনও যোগাযোগ হয়নি।
- ৮৪ জন ভারতীয়কে উদ্ধার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ত্রিশূলী-১ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মী ও তামিলনাড়ুর বাসিন্দা রয়েছেন।
- তিব্বতে থাকা প্রায় ২০০ ভারতীয়ও সাহায্য চেয়েছেন।
ভারতীয় সরকারের পদক্ষেপ
- বিদেশ মন্ত্রক ভার্চুয়াল বৈঠক করেছে কাঠমান্ডু ও বেজিংয়ে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে।
- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহকে মানবিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
- ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম চালু করেছে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক।



By














