উত্তরবঙ্গের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র শিলিগুড়ি পুর কর্পোরেশন চত্বর ও তৎসংলগ্ন মূল প্রশাসনিক এলাকায় তীব্র যানজটে স্থবির হয়ে পড়ছে জনজীবন। প্রতিদিন বিশেষ করে সকালের ব্যস্ত সময়ে (অফিস টাইমে) পুরসভার সামনের প্রধান সড়কে দীর্ঘ গাড়ি ও টোটোর লাইনে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন নিত্যযাত্রী, পরীক্ষার্থী ও চাকরিজীবীরা।
বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, তিলত্তমা হওয়ার পথে থাকা আধুনিক শিলিগুড়ি শহরের সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে এই অনিয়ন্ত্রিত যানজট। বহিরাগত যানবাহনের ক্রমাগত চাপ ও সঠিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার অভাবে পরিস্থিতি দিনে দিনে আরও জটিল হয়ে উঠছে।
যানজটের মূল কারণ ও নাগরিক অসন্তোষ
শহরের প্রাণকেন্দ্রে যানজট বৃদ্ধির প্রধান দিকগুলি নিচে তুলে ধরা হলো:
| ক্ষেত্র ও কারণ | বর্তমান চিত্র ও সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া |
| অফিস টাইমে গতি স্তব্ধ | সকাল ৯টা থেকে ১১টার মধ্যে পুরসভা মোড়, হাশমি চক ও সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে আটকে থাকছে যানবাহন। |
| বহিরাগত যানবাহনের চাপ | পাহাড় ও পার্শ্ববর্তী রাজ্য থেকে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক দূরপাল্লার গাড়ি ও পর্যটকদের আগমন ঘটায় শহরের মূল রাস্তায় চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। |
| নিত্যদিনের ভোগান্তি | স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, প্রতিদিন কাজের জায়গায় পৌঁছাতে অতিরিক্ত সময় নষ্ট হচ্ছে, যার স্থায়ী সমাধান মেলেনি। |
প্রশাসনিক উদ্যোগ ও সমাধানের প্রত্যাশা
যদিও শিলিগুড়ি পুর কর্পোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে যানজট নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সময় ট্রাফিক রুট পরিবর্তন ও অবৈধ পার্কিং হটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়, তবুও তা অপ্রতুল বলে দাবি করছেন ক্ষুব্ধ নাগরিকরা।
শহরের সচেতন নাগরিকদের মতে, পুরসভা চত্বরের মতো গুরুত্বপূর্ন এলাকায় দ্রুত উড়ালপুল বা ফ্লাইওভার নির্মাণ, অনিয়ন্ত্রিত টোটো নিয়ন্ত্রণ এবং ট্রাফিক সিগন্যালিং ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ না করা হলে এই জটিল সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।



By











