দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: নির্বাচনের মুখে অধ্যাপকদের পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে কমিশনকে পড়তে হলো হাই কোর্টের প্রশ্নের মুখে। এই মামলার শুনানি হয় বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে। কমিশনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বিচারপতির প্রশ্ন, “যখন খুশি আপনারা নিয়ম বদল করবেন? তাহলে পোলিং অফিসার হিসেবে বিচারপতিদেরও নিয়োগ করুন।” এর পরিপ্রেক্ষিতে কমিশনের যুক্তি, নতুন করে নিয়োগ বা প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব নয় ভোটের মুখে এই মামলা হওয়ায়।
যদিও কোর্ট এই যুক্তি গ্রাহ্য করেনি। বিচারপতির বক্তব্য, “কোনও যুক্তি হতে পারে না এটা। তাহলে যথাযথ যুক্তি দিতে হবে আপনাদের নিজেদের কাজের স্বপক্ষে। ভোটের পরে তারা যদি মামলা করেন, তখন কী করবে আদালত? ফলে কমিশনকেই নিজেদের কাজের যুক্তি দিতে হবে।” কমিশন আরও জানায়, “আমাদের নতুন করে ২৩টি জেলাতেই নিয়োগ করতে হবে এখন এই বিজ্ঞপ্তিতে হস্তক্ষেপ করলে। এসআইআরের কাজে নিয়োগ করা হয়েছে জুডিশিয়াল অফিসারদের। এমন পরিস্থিতিতে পুরো ভোট বন্ধ করে দিতে হবে যদি আদালত হস্তক্ষেপ করে।”
বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, “তার মানে অযৌক্তিক বিজ্ঞপ্তি দেবেন আপনারা আর মান্যতা দিতে হবে সেটাকেই? তাহলে সুপ্রিম কোর্টে পাঠিয়ে দিচ্ছি এই মামলা, সেখানে গিয়ে এই যুক্তি দিক কমিশন। বিচারকদের নিয়োগ করা হয়েছে এসআইআরের কাজে। এখানেও কাজে লাগানো হোক সেটা। শীর্ষ আদালতে চলে যান।” শেষ অবধি কোর্টের নির্দেশ, শুক্রবারের মধ্যে কমিশনকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে নিজেদের বিজ্ঞপ্তির।



By










