দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: এখনো ঘোষণা করা হয়নি পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ। তবে তার আগেই অস্বস্তিতে পড়ল বঙ্গের গেরুয়া ব্রিগেড। কী হয়েছে? প্রার্থী নিয়ে কোন্দল যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রে। স্বাভাবিকভাবেই, ভোটের আগে এমন একটি বিষয় দলকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। শুধু তাই নয়, এই জাতীয় ঘটনা মাঝেমধ্যে দলের অন্দরে হওয়ায় তা একটা বড় মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে উঠেছে।
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে পরিবেশ পাল্টাচ্ছে বাংলার। তৃণমূল কংগ্রেস থেকে শুরু করে বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস, সকলেই জোরকদমে প্রস্তুতি চালু করে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, কিভাবে নিজেদের গড় ধরে রাখা যায় বা অন্যের গড় নিজেদের দখলে করা যায়, তার জন্য সবরকমভাবে ঘুঁটি সাজাচ্ছে দলগুলি। এক কথায় বলতে গেলে, কেউ কাউকে বিন্দুমাত্র জমি ছাড়তে নারাজ।
এমন পরিস্থিতিতে ভোটে দাগ কাটার লক্ষ্যে যাবতীয় সব কাজ করে যাচ্ছে বঙ্গ বিজেপি। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও থেকে শুরু করে দিল্লির শীর্ষ নেতারা একাধিকবার সভা করে গিয়েছেন বাংলার মাটিতে। পাশাপাশি, প্রার্থী তালিকা নিয়েও যাবতীয় কাজকর্ম চলছে দলের তরফ থেকে। প্রত্যেকটি আসনে যাতে প্রভাবশালী প্রার্থী দেওয়া যায়, তার জন্য সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
তবে প্রার্থী ঘোষণার আগেই দলের ভিতরে শুরু হয়েছে অশান্তি। যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বড় হোর্ডিং লাগানো হয়েছে, যাতে লেখা, ‘যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রে আমার যাদবপুর বিধানসভায় বসবাসকারী স্বচ্ছ ভাবমূর্তির বিজেপি প্রার্থী চাই। বহিরাগত কোনও প্রার্থী হলে মানব না।’ নিচে লেখা প্রচারে বিজেপি যাদবপুর বিধানসভার সকল কর্মীবৃন্দ। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতে যে অস্বস্তিতে পড়েছে দল, তা বলাই বাহুল্য।
যদিও দলের ভিতরে কোন্দলের বিষয়টি নতুন কিছু নয় বঙ্গ বিজেপির কাছে। এর আগে এমন একাধিক ঘটনা ঘটেছে যেখানে দলীয় কর্মীরা নিজেদের মধ্যে অশান্তিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন, যা ঘিরে কটাক্ষ করা হয়েছিল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে। যদিও গেরুয়া শিবিরের তরফ থেকে তাদের পাল্টাও দেওয়া হয়েছিল। তবে এই জাতীয় ঘটনা মাঝেমধ্যেই ঘটতে থাকা যে একেবারে ভালো লক্ষণ নয় বিজেপির জন্য, তা বেশ স্পষ্ট।



By










