দেবজিৎ মুখার্জি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: রাজ্যের সর্বোচ্চ নেতার সিটে বসার পর থেকে একের পর এক কড়া পদক্ষেপ ও বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী, যা ঘিরে জোর আলোচনা চলছে বঙ্গ রাজনৈতিক মহলে। রাজনৈতিক তরজাও তুঙ্গে। শাসক শিবিরের নীতিকে লাগাতার কটাক্ষ করে চলেছে বিরোধীরা।
এই আবহে ফের কড়া অবস্থান জনসম্মুখে তুলে ধরলেন শুভেন্দু অধিকারী। জাহাঙ্গির মহল্লা পুলিশ ফাঁড়িতে ভাঙচুর ও তাণ্ডবের ঘটনায় তিনি স্পষ্ট করে দিলেন যে সরাসরি সরকারি সম্পত্তি বা পুলিশের উপর আক্রমণ চালালে বরদাস্ত করা হবে না। শনিবার ডায়মন্ড হারবারে প্রশাসনিক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আসানসোলের সাম্প্রতিক অশান্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যারা ফাঁড়িতে ভাঙচুর করেছে, গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৭ জনকে। পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়া হবে তাদের বিরুদ্ধে।” তাঁর সাফ কথা, “যা ক্ষতি হয়েছে, তা নেওয়া হবে অভিযুক্তদের থেকে।” পুলিশ কর্মীদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তাঁর অবস্থান, “হাত দেবেন না কোনও সরকারি জিনিসে। আমরা ছেড়ে কথা বলবো না পুলিশের কিছু হলে।”
প্রসঙ্গত, ধর্মীয় স্থানে লাউডস্পিকার বিধি ঘিরে অশান্তি লাগে আসানসোলে। রীতিমতো ভাঙচুর ও তান্ডব চলে জাহাঙ্গির মহল্লা পুলিশ ফাঁড়িতে। এবার দেখার বিষয় যে ঘটনার জল কতদূর গড়ায়। কী মোড় নেয় এই অধ্যায়? এটাই এখন একটা বড় প্রশ্ন রাজ্য রাজনীতিতে। তবে শুভেন্দু অধিকারী নিজের বক্তব্যে একবার নয়, দুবার নয়, বারংবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে নিয়ম বহির্ভূত কোন কাজ বিজেপি সরকার বরদাস্ত করবে না। সেক্ষেত্রে নজরে রাখার যে আগে কি হয়।



By










