দেবজিৎ মুখার্জি: মঙ্গলবার এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাক্ষী হলো গোটা জাতীয় রাজনীতি। কী সেই ঘটনা? দিন দুয়েক আগে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন ঐশী ঘোষ। বাম ছাত্র সংগঠন এসএফআইয়ের ওই বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। এরপরই দিল্লি পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য সরাসরি চলে যায় সিপিএমের সদর দপ্তর একে গোপালন ভবনে। তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় কর্মীদের বাধা দেওয়ায় পিছু হটতে হয় তাদের।
মঙ্গলবার বিকেলে দিল্লি পুলিশের একটি দল হঠাৎ সেখানে পৌঁছায় ঐশীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য। পার্টি অফিসে ঢুকতে চাইলেই বাধা দেওয়া হয় সিপিএম কর্মীদের তরফ থেকে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সিপিএম, এসএফআই, ডিওয়াইএফআই কর্মীরা। এমনকী দলের সাংসদরাও সেখানে ছিলেন। তাঁরাই মূলত বাধা দেয় পুলিশকে এবং এর জেরে শেষ পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ না করেই ফিরে যায় পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, ঐশীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সংক্রান্ত কোনও মামলায় নয়, পুরনো মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গিয়েছিল পুলিশ। তবে তা সম্ভব হয়নি বাম কর্মীদের বাধা দেওয়ায়। অন্যদিকে সিপিএম এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবেই দেখছে। তাদের বক্তব্য, ” কেন্দ্র সরকার ঘুরপথে আন্দোলনে যোগ দেওয়া নেতানেত্রীদের চেষ্টা করছে বিপদে ফেলার।” ঐশীর বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপের নিন্দা করেছেন কালীঘাট তৃণমূলের অন্যতম প্রভাবশালী সাংসদ, তথা বর্ষিয়ান নেতা, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত কী হয়। জল কতদূর গড়ায় বা আগামীদিনে এই ঘটনায় আর কী হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে গোটা জাতীয় রাজনৈতিক মহলের।



By










