দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: বঙ্গ রাজনীতিতে এক নাটকীয় মোড়! সাসপেন্ড তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক, তথা ডায়মন্ড হারবার সাংসদ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে দল থেকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলের তরফ থেকে। ঘটনা জানাজানি হতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। এবার কী হতে চলেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে বা এর কী প্রভাব পড়বে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের উপর, এই সংক্রান্ত নানা প্রশ্ন উঠছে এই মুহূর্তে।
রাজ্যে পালাবদলের পর বিশাল ভাঙন ধরেছে তৃণমূলে, যা এই মুহূর্তে এক বড় আলোচনার বিষয় রাজ্য রাজনীতিতে। ৬৪ জনেরও বেশি বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের সাথে হাত মেলানোর জেরে পরিষদীয় দলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। অন্যদিকে লোকসভাতেও একই চিত্র। দলের ২৮ জন সাংসদের মধ্যে ২০ জন যোগ দিয়েছেন বিজেপি নেতৃতাধীন এনডিএ সমর্থিত এনসিপিআইতে।
এই আবহে সোমবার নিউটাউনের এক ফাইভ স্টার হোটেলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলের এক বিশেষ অধিবেশন হয় কাউন্সিলরদের নিয়ে। সেখানে তৈরি করা হয় নতুন সাংগঠনিক কমিটি। চেয়ারপার্সন করা হয়েছে হাওড়া মধ্যের বিধায়ক অরূপ রায়কে। ফিরহাদ হাকিমকে করা হয়েছে ভাইস চেয়ারম্যান এবং একই পদে দায়িত্ব পেয়েছেন অরূপ বিশ্বাস ও রথীন ঘোষ। অন্যদিকে জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সাবিনা ইয়াসমিন পেয়েছেন সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব। এরপরই নেওয়া হয় সেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। সর্বসম্মতিতে কমিটির প্রস্তাব পাশ করিয়ে সাসপেন্ড করা হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত এই অধ্যায়ে কী হয়।



By











