দেবজিৎ মুখার্জি: অবশেষে দেশবাসীর মুখে হাসি ফোটাতে সফল হলেন সূর্যকুমার যাদব ও তাঁর বাহিনী। ফের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিজেদের ঝুলিতে তুললো টিম ইন্ডিয়া। ফাইনালে তারা বড় ব্যবধানে পরাজিত করল নিউজিল্যান্ডকে। ৯৬ রানে ম্যাচ জিতে ট্রফি নিজেদের ঝুলিতে তুলল তারা। ২০২৪এর পাওয়ার ২০২৬, পরপর দুবার চ্যাম্পিয়ন হলো ‘মেন ইন ব্লু’। এদিন ব্যাটিং ও বোলিং, দুটি বিভাগেই এগিয়েছিল ভারত। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড চেষ্টা করা সত্ত্বেও সফল হয়নি। বিস্তারিতভাবে বলতে গেলে, কোন বিভাগেই তারা দাগ কাটতে সফল হয়নি। দুই বিভাগেই দশে দশ ভারত।
রবিবার ফাইনাল ম্যাচটি খেলা হয় আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। এদিন টসে জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। নেমেই মারমুখী রূপ ধারণ করেন ভারতের দুই ওপেনার সঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মা। এদিন, জিম্বাবয়ে ম্যাচের পর, অভিষেক শর্মার ব্যাট থেকে ফের রান আসে। ২১ বলে ৫২ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান তিনি। এরপর ঈশান কিশান নেমে সঞ্জু স্যামসনের সঙ্গে রান করার গতি বাড়াতে থাকেন। সঞ্জু স্যামসন ৮৯ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান এবং ঈশান করেন ৫৪। এরপর কেউ তেমন মারকুটে ইনিংস খেলতে পারেননি শিবম দুবে ছাড়া। নির্ধারিত ২০ ওভারে ভারত শেষ করে ৫ উইকেটে ২৫৫ রানে। নিউজিল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে তিনটি উইকেট তোলেন নিশ্যাম এবং একটি করে উইকেট পান রচিন রবীন্দ্র ও ম্যাট হেনরি।
জবাবে রান তাড়া করতে নেমে ১৯ ওভারে ১৫৯ রানে অলআউট হয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। সাইফার্ট ও স্যান্টনার বাদ দিয়ে কেউ তেমন কিছু করতে পারেননি। সাইফার্ট আউট হন ৫২ রানে এবং স্যান্টনার ৪৩ রানে। ভারতের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট পান দলের তারকা পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ। এছাড়া তিনটি উইকেট নিজের ঝুলিতে তোলেন অক্ষর প্যাটেল। একটি করে উইকেট পান হার্দিক পান্ডিয়া, বরুণ চক্রবর্তী ও অভিষেক শর্মা। ম্যাচের সেরা ঘোষণা করা হয় জাসপ্রিত বুমরাহ। টুর্নামেন্টের সেরা পুরস্কার যায় সঞ্জু স্যামসনের ঝুলিতে।



By











