নিউজ ডেস্ক: “দুর্ভাগ্যবশত পারলাম না” চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে হেরে পোস্ট-ম্যাচ প্রেজেন্টেশনে এমনটাই জানালেন শ্রীলংকার অধিনায়ক দাসুন শানাকা। কী বক্তব্য তাঁর? তিনি দাবি করলেন যে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অভিযান কঠিন ছিল তাঁদের কাছে। পাশাপাশি, দলের ইনজুরি নিয়েও মন্তব্য করলেন এবং ক্ষমা চাইলেন দর্শকদের থেকে।
শানাকা বলেন, “ক্লোজ গেম ছিল যা আমি ফিনিশ করতে পারতাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত পারলাম না। দুর্দান্ত বোলিং করেছে শাহীন।” এরপরই তাঁদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অভিযান সম্পর্কে বলেন শ্রীলংকা অধিনায়ক। তিনি বলেন, “কঠিন ছিল আমাদের কাছে। আমাদের কিছু ইনজুরি হয়েছে। আমরা দর্শকদের হতাশ করেছি। আমি তাদের কাছে ক্ষমা চাইছি কারণ এই চোটের জন্য আমরা এগোতে পারলাম না। না হলে আমরা যেতে পারতাম সেমিফাইনালে। ভবিষ্যতে যদি কোনও ইনজুরি না থাকে, তাহলে আমি মনে করি যে এই দলটা ভালো ট্র্যাকে অসাধারণ পারফর্ম করবে।”
প্রসঙ্গত, শনিবার ম্যাচটি খেলা হয় শ্রীলংকার পালকেলের পালেকেলে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে। টসে জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন শ্রীলংকার অধিনায়ক দাসুন শানাকা। এক দুর্দান্ত ওপেনিং পার্টনারশিপ গড়ে পাকিস্তান। ব্যাট হাতে রীতিমতো বিধ্বংসী ব্যাটিং তুলে ধরা হয় দলের দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও ফাখার জামানের ব্যাট থেকে। ১৬তম ওভারে পার্টনারশিপ ভাঙতে সফল হয় শ্রীলংকা। ১৭৬ রানের পার্টনারশিপ হয় দুজনের মধ্যে। যদিও এরপর লাগাতার উইকেট পড়তে থাকে তাদের এবং নির্ধারিত ২০ ওভারে পাকিস্তান শেষ করে ৮ উইকেটে ২১২ রানে। সাহিবজাদা ফারহান করেন ১০০ এবং ফাখার জামান ৮৪। শ্রীলংকার বোলারদের মধ্যে তিনটি উইকেট পান মধুশঙ্কা, দুটি শানাকা এবং একটি চামিরা।
জবাবে রান তাড়া করতে নেমে শ্রীলংকার শুরুটা ভালো না হলেও মাঝে একাধিক পার্টনারশিপ গড়ে তারা, যার ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারে তারা শেষ করে ৬ উইকেটে ২০৭ রানে। সর্বোচ্চ ৭৬ রানের ইনিংস আসে দলের অধিনায়ক দাসুন শানাকার ব্যাট থেকে। এছাড়া পবন রথনায়েকে করেন ৫৮। বাকিরা ব্যাট হাতে তেমন দাগ কাটতে সফল হননি। পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে তিনটি উইকেট পান আব্রার আহমেদ। এছাড়া একটি করে উইকেট নিজের ঝুলিতে তোলেন শাহীন আফ্রিদি, নাসিম শাহ ও মহাম্মদ নাওয়াজ। শতরানের ইনিংসের জন্য ম্যাচের সেরা ঘোষণা করা হয় সাহিবজাদা ফারহানকে।



By














