দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: এই মুহূর্তে গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বইছে ভোটের হাওয়া। চারিদিকে চলছে রাজনৈতিক দলগুলির প্রস্তুতি। এমন আবহে শাসক শিবিরে যোগ দিলেন অ্যথলিট স্বপ্না বর্মণ। তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা ধরার পর তিনি সাংবাদিকদের জানান যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাজ দেখে তিনি অনুপ্রাণিত হয় ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি, বাংলাকে এক আলাদা স্থানে নিয়ে যাওয়ার নেপথ্যে তৃণমূল সুপ্রিমোর অবদানের প্রশংসা করেন।
বিগত কয়েকদিন ধরে শোনা যাচ্ছিল যে অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মন গেরুয়া শিবিরের পতাকা হাতে তুলতে পারেন। শুধু তাই নয়, এমনও শোনা যাচ্ছিল যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করাতে পারে বঙ্গ বিজেপি। কিন্তু জানুয়ারিতে শিলিগুড়ির মহাকাল মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তাঁকে সম্বর্ধনা দেওয়া হয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফ থেকে। এরপরই স্পেকুলেশন শুরু হয় যে তিনি শীঘ্রই তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দেবেন।
শুক্রবার পুরো বিষয়টিতে দাগ টানলেন স্বপ্না বর্মন। এদিন সকালে তিনি কলকাতার তৃণমূল ভবনে গৌতম দেব, ব্রাত্য বসু ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের হাত থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা ধরেন। এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা করেন। সাংবাদিকদের তিনি জানান যে রাজ্যের উন্নয়নের জন্য কি কাজ করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এখানেই শেষ নয়, এর সঙ্গে তিনি এটাও পরিষ্কার করে দেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাজ দেখে তিনি অনুপ্রাণিত হয় শাসক শিবিরে যোগ দিয়েছেন।
স্বপ্না বর্মন বলেন, “আমি রোজ অনুপ্রাণিত হই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায়। তৃণমূল স্তর থেকে উঠে এসে উনি বাংলাতে যেই জায়গায় নিয়ে গেছেন, তা হয়নি অন্য রাজ্যে। ভাবাও যায় না।” তাঁর সংযোজন, “আমি তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি ওনার কাজ দেখে অনুপ্রাণিত হয়েই।” প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের এশিয়ান গেমসে তিনি সোনা জেতেন। তারপরই তিনি জানিয়েছিলেন যে পিঠে চোটের কারণে তিনি ভাবছেন আর অ্যাথলেটিক্সের ট্র্যাকে আর নামবেন না। ২০১৯ সালে তিনি অর্জুন পুরস্কার পান। বর্তমানে তিনি নর্থইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলের কর্মী।



By










