দেবজিৎ মুখার্জি: চিকিৎসার অভাবে না ফেরার দেশে শিলংয়ের প্রভাবশালী সাংসদ রিকি এজে সিঙ্গকন। বৃহস্পতিবার ফুটবল খেলতে গিয়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। কিন্তু প্রাথমিক চিকিৎসা না মেলায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। তাঁর তারাদের দেশে চলে যাওয়ায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে মেঘালয়ের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সেই রাজ্যের রাজনীতির উপর। মৃত্যুর সময় রিকির বয়স ছিল ৫৪ বছর।
জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বন্ধুদের সঙ্গে মালওয়াই মাওইংয়ে রিকি ফুটবল খেলছিলেন। তবে হঠাৎ তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। বিনা দেরি করে সাংসদকে নিয়ে যাওয়া হয় মাওইং কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে। তবে সেখানে কোনও ডাক্তার না থাকায় তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা পাননি। এরপর তাঁকে জাইওয়াও ডা. এইচ গর্ডন রবার্টস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে ততক্ষণে অনেকটাই দেরি হয়ে গিয়েছিল। ভর্তি করার কিছু সময়ের পর তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
বিষয়টি জানাজানি হতেই ক্ষুব্ধ রিকির অনুগামীরা। তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন যে একজন প্রভাবশালী সাংসদ যদি সময়মতো চিকিৎসা না পান, তাহলে সাধারণ মানুষের কি হবে? রিকির না ফেরার দেশে চলে যাওয়ায় শোকপ্রকাশ করেছেন সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমাও। তাঁর বক্তব্য, “এক অনুগত রাজনৈতিক কর্মী রিকি এজে সিঙ্গকন। আমার তরফ থেকে সমবেদনা তাঁর পরিবারের প্রতি।” এছাড়া দুঃখপ্রকাশ করেছেন মেঘালয়ের অন্যান্য নেতারাও।
প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছরে মেঘালয়ের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হয়ে উঠেছিলেন রিকি এজে সিঙ্গকন। ২০২৪ সালে তিনি তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন হাত শিবির, অর্থাৎ কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা, ভিন্সেন্ট পালাকে হারিয়ে। বেশ বড় ব্যবধানেই জয় পেয়েছিলেন তিনি। প্রায় পৌনে চার লক্ষ ভোটে জয় পেয়েছিলেন রিকি এবং সংসদে নিজের জায়গা করে নিয়েছিলেন। তাঁর হঠাৎ না ফেরার দেশে চলে যাওয়া এই মুহূর্তে অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না। এবার দেখার বিষয় যে আগে কি হয়।



By













