• Home
  • দেশ
  • জিরামজি আইনের একাধিক ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে মাদ্রাস হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা

জিরামজি আইনের একাধিক ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে মাদ্রাস হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা

Image

দেবজিৎ মুখার্জি: বর্তমানে একাধিক ইস্যু ঘিরে জোরদার আলোচনা চলছে জাতীয় রাজনীতিতে। তার মধ্যে অন্যতম মহাত্মা গান্ধী গ্রামীণ রোজগার গ্যারান্টি আইন (মনরেগা) পাল্টে কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ) বা জিরামজি আইন আনা। তবে এবার এতে এলো নতুন মোড়। কী সেই মোড়? একটি জনস্বার্থ মামলার চায়ের হল মাদ্রাস হাই কোর্টে এই আইনের একাধিক ধারা চ্যালেঞ্জ করে।

জানা গিয়েছে, যিনি মামলা দায়ের করেছেন তিনি পেশায় একজন আইনজীবী। তাঁর নাম টি শিবজ্ঞানসম্বন্দন। ঠিক কী অভিযোগ মামলাকারী আইনজীবীর? তাঁর অভিযোগ, কয়েকটি ব্যাপারে বৈষম্য করা হয়েছে। মনরেগায় খরচ ভাগাভাগি হতো, কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে ৯০:১০ রেশিওতে। কিন্তু নতুন আইনে কেন্দ্রের যা বরাদ্দ, তা ৯০% থেকে নেমে এসেছে ৬০%। কয়েকটি রাজ্যের ক্ষেত্রে মানা হয়েছে পুরনো রেশিও। এর জেরে চাপে পড়ছে রাজ্যগুলি। এই বৈষম্য কেন? 

প্রসঙ্গত, এই আইন পাশ হওয়ার পর থেকেই শুরু হয় বিতর্ক। হাত শিবির, ওরফে কংগ্রেসের অভিযোগ, এই বিল অশংবিধানিক এবং গান্ধীজীর নাম মুছে ফেলার জন্যই তা আনা হয়েছে কেন্দ্রের তরফ থেকে। সংখ্যার শক্তিতে এই বিল পাশ করা হয়েছে সংসদে। ১০০ থেকে ১২৫ দিন কাজের পরিমাণ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে প্রস্তাবিত বিলে। ৯০% থেকে ৬০ শতাংশ করা হয়েছে কেন্দ্রের বরাদ্দ, যা চাপ বাড়িয়েছে রাজ্যগুলির। 

পাশাপাশি, এই প্রকল্পে আগে বরাদ্দ করা হতো রাজ্যের চাহিদা অনুযায়ী। তবে এবার কেন্দ্রের তরফ থেকে ঠিক করা হবে যে কোন রাজ্যে বরাদ্দ করা হবে কত। সুতরাং এই ব্যাপারেও নিশ্চয়তা নেই যে সাধারণ শ্রমিকরা ১০০ দিনের কাজ পাবেন। বিরোধীদের বক্তব্য, সংবিধানের ২৫৮ নম্বর ধারার বিরুদ্ধে যাচ্ছে যেভাবে রাজ্যের উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে ৪০ শতাংশ খরচের বোঝা। ইতিমধ্যেই তামিলনাড়ু সরকারের তরফ থেকে বিধানসভায় প্রস্তাব পাস করানো হয়েছে জিরামজির বিরোধিতা করে। এবার এর জল গড়িয়েছে আদালতে। সুতরাং এবার দেখার যে আগে কি হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top