দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: গোটা পশ্চিমবঙ্গে এই মুহূর্তে বইছে ভোটের হাওয়া। আর কদিন পরই রাস্তায় নামবেন নাগরিকরা নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে। যদিও এখন থেকেই কমবেশি রণক্ষেত্রের চেহারা নিচ্ছে রাজ্য। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস থেকে শুরু করে প্রধান বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি), সকলেই কমবেশি প্রচার চালু করে দিয়েছে। পিছিয়ে নেই বামেরাও। তারাও জোরকদমে প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে ফের নবান্নের তরফ থেকে পুলিশ প্রশাসনের কয়েকটি শীর্ষ পদের দায়িত্বে করা হলো রদবদল। এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তিও দেওয়া হয়েছে এবং তাতে বলা হয়েছে কে কোন পদে। রদবদল করা হয়েছে একাধিক পদে। রাজীব মিশ্র হলেন দক্ষিণবঙ্গের নতুন এডিজি ও আইজিপি, এলএম মীনা হলেন সিআইডির এডিজি ও আইজিপি। আইজিপি-আইবি হলেন মুকেশ। মুর্শিদাবাদ রেঞ্জের ডিআইজির দায়িত্ব পেলেন সৈয়দ ওয়াকার রাজা। জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপার করা হয় অমরনাথকে। এর আগে তিনি ছিলেন কৃষ্ণনগর পুলিশ সুপার। সেই জায়গায় এসেছেন ওয়াই রঘুবংশীকে।
প্রসঙ্গত, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট প্রকাশের কয়েকদিন আগে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয় রাজ্যের আধিকারিকদের বদলির। বিশেষ করে এটা বলে দেওয়া হয় যে যাঁরা ৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে একই জায়গায় রয়েছেন, তাঁদের বদলি করতে হবে। যদিও কমিশন সূত্রে জানা যায় যে একই নিয়ম প্রযোজ্য নয় কর্তাদের ক্ষেত্রে যাঁরা কাজ করেন সদর দপ্তরে। তবে কমিশনের তরফ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে বিডিও, মহকুমা শাসক, জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, জেলা প্রশাসনের কর্তা, করতে হবে। এছাড়াও বদলির নির্দেশ দেওয়া হয় এসপি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, আইজি, ডিআইজিদেরও। কমিশনের তরফ থেকে মুখ্যসচিবকে এই ব্যাপারে নির্দেশ পাঠানো হয়।
শুধু তাই নয়, নির্দেশিকায় এটাও জানানো হয় যে গত বিধানসভা নির্বাচনের বেলায় জেলাশাসক, রিটার্নিং অফিসার, পুলিশ ইনস্পেক্টর পদে কাজ করা আধিকারিকরা যেই জেলায় দায়িত্বে ছিলেন, সেখানে এবার তাঁদের করা যাবে না বদলি। এরপরই এদিন সন্ধ্যায় হলো কয়েকটি রদবদল। যদিও নবান্নের তরফ থেকে পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে যে এটি পুরোপুরি রুটিন বদলি।


By










