দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে ঘিরে এই মুহূর্তে রাজ্যে গত কয়েকদিনে জোর শোরগোল পড়েছে। মামলার জল গড়িয়েছে আদালত পর্যন্তও। রাজনৈতিক তরজাও একেবারে চরমে পৌঁছেছে। ইতিমধ্যেই ডেকোরেটর সংস্থার কর্ণধারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবার এই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হলো আরো দুজনকে। মোমো সংস্থার আধিকারিক তাঁরা। একজন ম্যানেজার মনোরঞ্জন শিট এবং অন্যজন ডেপুটি ম্যানেজার রাজা চক্রবর্তী।
দুজনকেই নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশের তরফ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর। গতকাল রাতে দুজনেই তদন্তকারীদের জ্বালে এসেছেন নরেন্দ্রপুর থেকে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ হয়ে গিয়েছে এবং আজ তাঁদের তোলা হবে বারুইপুর মহকুমা আদালতে। এদিন পুলিশের তরফ থেকে হেফাজতে নিয়ে জেরার আবেদন করা হবে বলে খবর। সুতরাং জল যে আরো বহুদূর গড়াতে পারে, তা ধরে নেওয়াই যায়। এছাড়া আরো ৪টি দেহাংশ পাওয়া গিয়েছে, যা মিলিয়ে মোট দেহাংশ উদ্ধারের সংখ্যা ২৫।
প্রসঙ্গত, ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবার ভোর রাতে। স্থানীয়দের, প্রায় রাত তিনটে নাগাদ, নজরে আসে আগুনের লেলিহান শিখা। পুলিশ ও দমকলকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে হাজির হয় দমকলের বারোটি ইঞ্জিন এবং প্রায় দেড় দিন পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ইতিমধ্যেই মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২০। একাধিক দেহাংশ উদ্ধার হয়েছে। তা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দুটি মামলা রুজু করে। সরকারের তরফ থেকে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে তিনি পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছেন তাদের পরিবারের সদস্যদেরকে সিভিকে চাকরি দেওয়ার জন্য। আদালত পর্যন্ত মামলার জল গড়িয়েছে। একাধিক গ্রেফতারি হয়েছে এই পর্যন্ত।



By










