অবশেষে আইনি লড়াইয়ে কিছুটা স্বস্তি পেলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran Khan)। পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালত (Supreme Court of Pakistan)-এর নির্দেশ অনুযায়ী, খুব জলদিই তাঁকে কারাবন্দি অবস্থা থেকে স্থানান্তরিত করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হবে। কারারুদ্ধ ইমরানের শারীরিক অবস্থার আশঙ্কাজনক অবনতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটির শীর্ষ আদালত।
দীর্ঘদিন ধরে ইমরানের দল পাকিস্তান তেহরিক-এ-ইনসাফ (PTI) এবং তাঁর পরিবার অভিযোগ তুলেছিল যে, আদিয়ালা জেলে (Adiala Jail) উপযুক্ত চিকিৎসার অভাবে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য দিন দিন আশঙ্কাজনক হয়ে উঠছে। সম্প্রতি প্রকাশিত মেডিকেল রিপোর্টের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় ইমরানের পরিবার।
শিফা হাসপাতালে ভর্তি ও সুপ্রিম কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা
পিটিআই (Pakistan Tehreek-e-Insaf)-এর মুখপাত্র নইম হায়দর পানজুথা জানান, শীর্ষ আদালত আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইমরান খানকে ইসলামাবাদের বিখ্যাত শিফা হাসপাতালে (Shifa Hospital) স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের মূল নির্দেশিকাগুলি নিচে উল্লেখ করা হলো:
- চিকিৎসার সময়সীমা: আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেসরকারি হাসপাতালেই চলবে ইমরানের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা।
- পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ: হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন সপ্তাহে অন্তত একদিন পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাতের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
- বিশেষ মেডিকেল বোর্ড: চিকিৎসার তদারকির জন্য একটি স্বতন্ত্র Medical Board গঠনের নির্দেশ দিয়েছে আদালত, যাতে থাকবেন ইমরানের ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং তাঁর বোন ডাঃ উজ়মা খান (Dr. Uzma Khan)।
রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা
তোষাখানা দুর্নীতি (Toshakhana Case) সহ একাধিক রাজনৈতিক মামলায় ২০২৩ সালের আগস্ট মাস থেকে বন্দি রয়েছেন ৭-এর দশকের এই কিংবদন্তি ক্রিকেটার ও রাজনীতিক। তবে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, ইমরানের শারীরিক অবস্থার কোনো গোপনীয় মেডিকেল রিপোর্ট (Medical Report) সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করা যাবে না এবং এটিকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা যাবে না।
________



By











