গাড়ি চালানোর সময় টায়ারে কতটা হাওয়া বা বাতাসের চাপ রয়েছে, তা নিয়মিত পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। নিরাপদ ড্রাইভিং বা Safe Driving-এর জন্য সঠিক Tyre Pressure বজায় রাখা আবশ্যিক। টায়ারে কম প্রেসার থাকলে সেটি দ্রুত গরম হয়ে যেতে পারে, ব্রেকিং ও নিয়ন্ত্রণে সমস্যা তৈরি করে এবং টায়ারের ক্ষয় বাড়িয়ে দেয়। অন্যদিকে, অতিরিক্ত প্রেসার থাকলে রাস্তার সাথে টায়ারের গ্রিপ বা ধরা কমে যায়। সঠিক প্রেসার গাড়ির মাইলেজ, আরাম এবং টায়ারের আয়ু বজায় রাখতে সাহায্য করে।
গাড়ির দীর্ঘস্থায়িত্ব ও নিরাপত্তার জন্য টায়ারের বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।
টায়ার প্রেসার পরীক্ষার নিয়ম ও সময়
টায়ারের হাওয়া বা চাপ সবসময় ঠান্ডা অবস্থায় পরীক্ষা করা উচিত। দীর্ঘক্ষণ গাড়ি না চালানোর পর বা অন্তত কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর Tire Pressure Gauge দিয়ে চাপ মাপা সবচেয়ে সুবিধাজনক।
- পরীক্ষার সময়: গাড়ি চালানোর পর টায়ার গরম হয়ে গেলে ভিতরের বাতাসের চাপ সাময়িকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- পরীক্ষার সময়সূচি: প্রতি মাসে অন্তত একবার এবং যেকোনো দীর্ঘ যাত্রার (Long Drive) আগে টায়ারের হাওয়া পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত।
- সঠিক PSI নির্ধারণ: গাড়ির ম্যানুয়াল বা দরজার কাছে থাকা স্টিকার অনুযায়ী সঠিক PSI (Pounds per Square Inch) মান মেনে চলা আবশ্যক।
আবহাওয়ার প্রভাব ও টায়ার ক্ষয়ের সংকেত
আবহাওয়ার পরিবর্তনের সাথে সাথে টায়ারের ভিতরের চাপ পরিবর্তিত হয়। শীতকালে টায়ারের চাপ কমে এবং গরমকালে তা কিছুটা বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে বর্ষাকালে ভেজা রাস্তায় সঠিক Grip বজায় রাখতে সঠিক হাওয়ার চাপ থাকা অত্যন্ত জরুরি।
টায়ারের ক্ষয় দেখেও ভিতরের চাপের সমস্যা বোঝা যায়। যদি টায়ারের মাঝখানের অংশ বেশি ক্ষয়ে যায়, তবে বুঝতে হবে অতিরিক্ত প্রেসার ছিল। আর যদি দু’পাশের প্রান্ত বেশি ক্ষয় হয়, তবে কম প্রেসারের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সাধারণ বাতাসের বদলে Nitrogen Gas ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে মূল বিষয় হলো নিয়মিত স্পেয়ার টায়ার সহ সবকটি টায়ারের নির্দিষ্ট PSI বজায় রাখা।
________



By












