দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: এই মুহূর্তে গোটা বাংলাজুড়ে চলছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা। যেভাবে সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্ন করে তিনি আজ নজির গড়েছেন, তা দেখে মুগ্ধ রাজ্যবাসীর একাংশ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। যদিও বিরোধীরা এর কটাক্ষ করেছে। তবে তৃণমূল সুপ্রিমোর এই সাহসী পদক্ষেপ দেখে বেশ খুশি হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুনাল ঘোষ। একশোয় ১০০ নয়, ২০০ নয়, একেবারে ৫০০ দিয়েছেন।
কুনাল ঘোষ বলেন, “মমতাদি আজ পুরো একশোয় ১০০। ১০০ কী। একশোয় ২০০। ২০০ কী। একশোয় ৫০০। আজ সুপ্রিম কোর্ট মান্যতা ও গুরুত্ব দিয়েছেন ওনার পয়েন্টগুলিকে। নোটিস দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনকে। দেখুক এগুলো বিরোধীরা। এবং ওই ঐতিহাসিক মুহূর্ত যখন উনি সেভ বেঙ্গল, সেভ ডেমোক্রেসি প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের সামনে প্রশ্ন শেষ করে। ইতিহাস। ওনার দিকে যাঁরা আইনজীবী ছিলেন, তাঁদের বাইরেও যেভাবে দাপটের সঙ্গে ব্যাখ্যা করেছেন নতুন পয়েন্ট আদালতকে সম্পূর্ণ সম্মান জানিয়ে এবং যেই ঝড় তিনি তুলেছেন, তাতে কমিশনের আইনজীবীদের নাজেহাল লাগছিল। সময় চাইলেন শেষে।”
তিনি আরো বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ শীর্ষ আদালতে ইতিহাস গড়ে দিয়েছেন। উনি দেখিয়ে দিলেন, বাংলার মানুষের স্বার্থে কোনও মুখ্যমন্ত্রী এই প্রথম প্রশ্ন করছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রশ্ন করলেন। এখনো মামলা চলছে। শুনানির দিন ঠিক করা হয়েছে। কিন্তু এই পর্যন্ত যা হয়েছে, তাতে প্রথম দফাতেই বাংলার মানুষের জন্য নৈতিক জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন। সুপ্রিম কোর্ট বুঝতে পেরেছে যে অত্যাচার চলছে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নামে। আজ ল্যাজেগোবরে হয়েছে নির্বাচন কমিশন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঝড়ের কাছে।”
প্রসঙ্গত, এদিন প্রধান বিচারপতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য শোনার পর বলেছেন, “দেখছি, তেমন হলে সময় বাড়ানো হবে। ফের সোমবার শুনানি। যেই কারণে তিনি এসেছিলেন, বাংলার মানুষদের হয়ে, অনেকটাই বলেছেন। সেদিন যদি আসেন, পরের দিন বাকিটা বলতে পারবেন। সবচেয়ে বড় কথা, উনি বলতে পারলেন বাংলার মানুষের হয়ে।” শুনানি শেষে দু’পক্ষকেই নোটিস দেওয়া হয়। কমিশনের তরফ থেকে কি কি পদক্ষেপ করা হচ্ছে, তা জানানোর নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি রাজ্য কত অফিসার দিতে পারবে, তা জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয় নবান্নকে। এছাড়া আদালতের তরফ থেকে এটাও জানানো হয়েছে যে মাইক্রো অবজারভারের দরকার নেই যদি রাজ্য সহযোগিতা করে এবং কমিশনকে সেন্সেটিভ হতে বলে।



By









