• Home
  • জেলার খবর
  • “আপনারা প্রায় ১৭৭টা সিটে রিগ করেছেন” ফের রিগিং তত্ত্ব মমতার মুখে

“আপনারা প্রায় ১৭৭টা সিটে রিগ করেছেন” ফের রিগিং তত্ত্ব মমতার মুখে

Image

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: পালাবদলের ২৭ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো নিজের অবস্থান থেকে সরে দাঁড়াতে নারাজ রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, তথা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার কালীঘাট থেকে ফেসবুক লাইভ করে তিনি ফের দাবি করলেন যে তিনি পরাজিত হননি এবং ১৭৭টি আসনে কারচুপি করে জিতেছে গেরুয়া শিবির। পাশাপাশি, এটাও পরিষ্কার করে দেন যে এভাবে তৃণমূল কংগ্রেসকে দমিয়ে রাখা যাবে না। 

সম্প্রতি, শেষ হয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। তাতে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে বিজেপি। বিপুল সংখ্যক আসন পেয়ে রাজ্যে প্রথমবার ক্ষমতায় এসেছে তারা। অন্যদিকে বিশাল ধাক্কা খেয়েছে ঘাসফুল শিবির। বলা ভালো, লজ্জাজনক পরাজয়ের সম্মুখীন হতে হয়েছে তাদের। ফলপ্রকাশের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ গোটা তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে একাধিকবার দাবি করা হয়েছে যে কারচুপি করে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি।

এদিন ফের রিগিং তত্ত্ব শোনা গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। সোমবার কালীঘাট থেকে ফেসবুক লাইভ করে তিনি বলেন, “টার্গেট করে হারিয়েছে বাংলাকে। আপনারা প্রায় ১৭৭টা সিটে রিগ করেছেন, সব খবর আছে আমার কাছে। মারতে মারতে আমাকে বের করেছেন কাউন্টিং সেন্টার থেকে। তখন এগিয়েছিলাম আমি। তারপর হারিয়ে দেওয়া হয়েছে আমাকে। জিতে গিয়েছিল আমাদের তাপস চট্টোপাধ্যায়। জোর করে পরেরদিন রিকাউন্টিং করা হলো। তারপর দেখানো হলো হেরে গিয়েছে ৩০০ ভোটে।” এরপরই তিনি পরিষ্কার করে দেন, “এভাবে ভাঙতে পারবেন না তৃণমূলকে। আরো শক্তিশালী হবো আমরা।”

উল্লেখ্য, সম্প্রতি শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল দুটি দফায় এবং ফলপ্রকাশ হয়েছিল মে মাসের ৪ তারিখে। দুশোর বেশি আসন নিজেদের নামে করে গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে, প্রাক্তন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের ঝুলিতে যায় একশোরও কম আসন। শূন্যের গণ্ডি পেরিয়েছে সিপিএম ও কংগ্রেস। অন্যদিকে, নিজেদের গড় ভাঙর ধরে রাখতে সফল হয় আইএসএফ। হুমায়ুন কবিরের দল আমজনতা উন্নয়ন পার্টিও প্রথমবার ভোটের ময়দানে নেমে খাতা খুলেছে।

যদিও এবারের নির্বাচনে এসআইআরের কারণে বহু ভোটার ভোট দিতে পারেননি, যা ঘিরে জোর আলোচনা অব্যাহত রয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। এছাড়া দেখা গিয়েছিল নজিরবিহীন নিরাপত্তা। প্রথম থেকেই নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কড়া অবস্থান নেওয়া হয়েছিল নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে এবং অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে কোনরকম খামতি রাখা হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top