দেবজিৎ মুখার্জি, বীরভূম: ভোট আবহে রাজ্যের অন্তবর্তী বাজেটে যা ঘোষণা করা হয়েছে, তা ঘিরে রাজনৈতিক তরজা একেবারে তুঙ্গে। একদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই এই বাজেট করা হয়েছে। আবার বিজেপি তেমনটা মনে করছে না। বীরভূমের ঘাসফুল শিবিরের দরদণ্ডপ্রতাপ নেতা অনুব্রত মণ্ডল লক্ষীর ভান্ডারে ৫০০ টাকা বাড়ায় দাবি করেছেন যে এবারের ভোটে ২৩০-২৫০ আসনে জয় পাবে তৃণমূল।
বৃহস্পতিবার বাজেট পেশ হওয়ার পর বোলপুরে মিষ্টি বিতরণ করেন অনুব্রত মণ্ডল। নিজের হাতেই মিষ্টি দিতে দেখা যায় তাঁকে। তাঁর ফাঁকেই তিনি বাজেট প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান জানান। তাঁর সাফ কথা, এবারের নির্বাচনেও বড় ব্যবধানে জয় পাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। শুধু তাই নয়, তিনি এটাও দাবি করেন যে যেই বাজেট পেশ করা হয়েছে, তাতে সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছেন মহিলারা।
অনুব্রত মণ্ডল বলেন, “পশ্চিমবঙ্গকে কিছু দেওয়া হয়নি কেন্দ্রের বাজেটে। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে বাজেট ঘোষণা করেছেন, তা সাধারণ মানুষের জন্য, বেকার ছেলেমেয়েদের জন্য, যারা খেটে অর্থ উপার্জন করা দিনমজুর, তাদের জন্য। টাকা বেড়েছে লক্ষীর ভান্ডারের। আশা কর্মীদেরও টাকা বেড়েছে। ডিএ দেওয়া হয়েছে ৪ শতাংশ। টাকা বাড়ানো হয়েছে সিভিক ভলেন্টিয়ারদেরও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকলের জন্য চিন্তা করেন। এর জন্য ধন্যবাদ জানাই ওনাকে। ধন্যবাদ সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”
তিনি আরো বলেন, “এই বাজেটে মহিলারা সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছেন। টাকা বাড়ানো হয়েছে লক্ষীর ভান্ডারে।” এরপর আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কত আসন পাবে তৃণমূল কংগ্রেস, সেই ব্যাপারেও বলেন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর দাবি, “তৃণমূল কংগ্রেস ২৩০ থেকে ২৫০ আসন পাবে।” এবার দেখার বিষয় যে অনুব্রত মণ্ডল যা দাবি করেছেন, তা সত্যি হয় কিনা। এবারের ভোটে কি আগের চেয়েও বেশি সিট নিয়ে জিতবে ঘাসফুল শিবির? এই প্রশ্নই এখন ঘোরাফেরা করছে বঙ্গ রাজনৈতিক মহলে।



By









