• Home
  • জেলার খবর
  • “একা লড়াই করার ক্ষমতা রাখে” কংগ্রেসের সঙ্গে জোট সম্পর্কে বক্তব্য মমতার

“একা লড়াই করার ক্ষমতা রাখে” কংগ্রেসের সঙ্গে জোট সম্পর্কে বক্তব্য মমতার

Image

দেবজিৎ মুখার্জি: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কি কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করবে তৃণমূল? এবার এই প্রশ্নের জবাব দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কী বললেন তৃণমূল সুপ্রিমো? চাণক্যপুরীর নতুন বঙ্গভবনে তিনি সাংবাদিকদের এই বিষয়ে স্পষ্ট উত্তর দেন। তিনি দাবি করেন যে তাঁর দল একাই লড়াই করার ক্ষমতা রাখে পশ্চিমবঙ্গে। শুধু তাই নয়, তিনি এটাও দাবি করেন যে তৃণমূল কংগ্রেস একাই লড়াই করে এবং বাকিরা তাদের বিরুদ্ধে লড়ে।

এসআইআরের জেরে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে নিয়ে দিল্লিতে গিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সোমবার সেখানে ঘটে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বঙ্গভবনে হানা দেয় দিল্লী পুলিশ। যদিও শেষ পর্যন্ত তৃণমূল সুপ্রিমোর প্রতিবাদে জায়গা ছাড়তে বাধ্য হয় তারা। এছাড়া মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি একহাত নেন কমিশনকে। যদিও জ্ঞানেশ কুমারের তরফ থেকেও পাল্টা দেওয়া হয় বিবৃতির মাধ্যমে। 

মঙ্গলবার ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক, তথা ডায়মন্ড হারবার সাংসদ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সেখান থেকে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাত শিবিরের সঙ্গে জোট করার প্রশ্ন করা হলে তিনি নিজের বক্তব্য বুঝিয়ে দেন যে জোটের কোন সম্ভাবনা নেই তাদের সঙ্গে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “একাই লড়াই করতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস।” এরপরই বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি জানান। তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, “ওখানে আমাদের বিরুদ্ধে সবাই লড়ে।” গত লোকসভা নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের একটা বোঝাপড়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়ে উঠতে পারেনি প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর জন্য।

অধীর রঞ্জন চৌধুরীর পর শুভঙ্কর সরকার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হওয়ায় রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছেন যে কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের জোট হওয়ার একটা সম্ভাবনা আছে। তাঁর কারণ বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ঘাসফুল শিবিরের প্রতি তেমন আক্রমণাত্মক নন। যদিও এখনো ভোট হতে দেরি রয়েছে, তবুও দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত এক হয়ে লড়াই করতে দেখা যায় কিনা দুই শিবিরকে। কী হবে আগামীদিনে? সেটাই এখন একটা বড় প্রশ্ন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top