দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: ঋতব্রত তৃণমূল বনাম কালীঘাট তৃণমূলকে ঘিরে উত্তাল বঙ্গ রাজনীতি। এই আবহে রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে আলিপুর আদালতের এক নির্দেশনামা তুলে ধরেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দাবি করেন যে তাঁরাই বৈধ তৃণমূল এবং যে কমিটি তৈরি করা হয়েছে অরূপ রায়কে চেয়ারম্যান করে, সেটাই একমাত্র বৈধ কমিটি তৃণমূলের। এরপরই আসরে নামল কালীঘাট তৃণমূল। তাদের তরফ থেকেও পাল্টা দেওয়া হয় ঋতব্রত শিবিরকে।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতাপন্থী তৃণমূলের আইনজীবী অর্ক কুমার নাগ বলেন, “প্রথম কথা, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এই মামলা করেননি। করেছেন জুঁই বিশ্বাসের সঙ্গে আরও ২-৩ জন মিলে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করেছেন, তাঁদের স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য আসল তৃণমূল হিসেবে। এখনও কিছু বলা হয়নি নির্বাচন কমিশনের থেকে। কমিশনে আমাদের বক্তব্যও জানিয়েছি। ঋতব্রতরা কী জানিয়েছেন, আমাদের কাছে তার প্রতিলিপি নেই।”
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে আইনজীবী বলেন, “একটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি চেষ্টা করা হচ্ছে এই কোর্টের অর্ডারের কথা বলে, আইনের কথা বলে। এটা কোনও চূড়ান্ত রায় নয়। ঋতব্রতরা নিজেরা সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছেন অন্য লোক দিয়ে মামলা করিয়ে। কখনও কমিশনের কাছে, কখনও আলিপুর আদালতে গিয়ে। তাঁরা নিজেরাই বিভ্রান্ত। তাই তৃণমূলের লোকেদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন আইনের মারপ্যাঁচের দ্বারা।” তাঁর সংযোজন, “এতে বিভ্রান্তির কিছু নেই। এখনও পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন রয়েছেন এবং তৃণমূলের কর্মসূচি তাঁর নেতৃত্বেই পালিত হবে।” এবার দেখার শেষ পর্যন্ত কী হয়।



By











