দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: নানা বিতর্ক কাটিয়ে শনিবার সকাল থেকে ধাপে ধাপে বেরোচ্ছে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনের (এসআইআর) চূড়ান্ত তালিকা। কমিশনের ওয়েবসাইট লাগাতার ক্র্যাশ করায় সমস্যা হচ্ছে। তবে কমিশনের তরফ থেকে ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে বিধানসভা কেন্দ্র অনুযায়ী। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক তরজা আজ অন্য মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছে। অনেকেই অনেকরকম কথা বলছেন। বিভিন্ন জেলা মিলিয়ে একাধিক ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। আবার অজস্র নাম বিচারাধীন। গোটা বিষয়টি নিয়ে এই মুহূর্তে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে গোটা পশ্চিমবঙ্গে।
এমন পরিস্থিতিতে দেখা গিয়েছে নৈহাটি পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশান্ত সরকার এবং তাঁর মা আরতী সরকারের নাম ‘ডিলিট’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে কমিশনের তরফ থেকে। বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে নিন্দা জানানো হয় পোস্ট করে। ফেসবুকে এই নিয়ে পোস্ট করে ঘাসফুল শিবির। পাশাপাশি কমিশনকে দালাল তকমা পর্যন্ত দেওয়া হয় তাঁদের তরফ থেকে।
নিজদের পোস্টে তৃণমূল কংগ্রেস লেখে, “নির্বাচন কমিশন আর কত নিচে নামবে? খসড়ার তালিকার পর চূড়ান্ত তালিকাতেও কারচুপি করে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দিয়েছে এই বিজেপির দালালরা! নৈহাটি পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশান্ত সরকার এবং তাঁর মা আরতী সরকারের নাম ভোটার তালিকায় ‘ডিলিট’ চিহ্নিত করেছে কমিশন। কোন অজুহাতে? বিজেপির বেঁধে দেওয়া কোটির গণ্ডি পার করতে কি একের পর এক ভোটারের নাম এভাবে বাদ দেবে ‘দালাল’ কমিশন? নাকি আবারও বিএলওদের ঘাড়ে দায় চাপিয়ে হাত ধুয়ে ফেলবে?”
অন্যদিকে, নিজের নাম বাদ যাওয়ার পর সাংবাদিক বৈঠক করেন সুশান্ত সরকার এবং বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান জানান। তাঁর বক্তব্য, তাঁকে শুনানিতে ডাকা হলে তিনি যান এবং প্রয়োজনীয় সব নথি জমা দিয়েছিলেন। তবুও চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে তাঁর ও তাঁর মায়ের নাম। শুধু তাই নয়, তিনি এও দাবি করেন যে এটি একটি পরিকল্পিত চক্রান্ত গেরুয়া শিবিরের।



By










